১৮ মার্চ ২০২৬

‘খাদ্য চাহিদা পূরণে গবেষণামূলক কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার’

কক্সবাজার প্রতিনিধি »

কক্সবাজারের সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিক বলেছেন, দেশের লোকসংখ্যা ক্রমে বাড়ছে। বাড়ছ খাদ্য চাহিদা। আগামীর খাদ্য চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে গবেষণামূলক কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিচ্ছে বর্তমান সরকার। কক্সবাজারের অন্যতম রপ্তানি পণ্য শুটকির নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত উৎপাদনে বাড়াতে গবেষণায় বন্ধ্যা মাছি সৃষ্টি এর একটি অংশ।

পরমাণু প্রযুক্তি প্রয়োগের নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত শুটকি উৎপাদনে ব্যবহৃত বন্ধ্যা মাছি উৎপাদন কেন্দ্র পরিদর্শন এবং মতবিনিময় সভায় সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

কক্সবাজার পর্যটন জোনের কলাতলী সৈকত খনিজ বালি আহরণ কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।

পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান খাদ্য ও বিকিরণ জীববিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের বিকিরণ কীটতত্ত্ব মাকড়তত্ত্ব বিভাগের প্রধান ড. এটিএম ফয়েজুল ইসলামের‌ সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আশেক উল্লাহ রফিক এমপি।

সভায় বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মহসিনা ইয়াসমিন, সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার শাহিনুর ইসলাম, সায়েন্টিফিক অফিসার মোশারফ হোসেন, কৃষিবিদ কায়সার উদ্দিন আহমেদ, রসায়নবিদ ইসমাইল জবিউল্লাহ, সাংবাদিক ও গবেষক আহমেদ গিয়াস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বন্ধ্যা মাছির উপকারভোগী সোনাদিয়ায় শুঁটকি চাষিরাও উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ক্ষতিকর মাছির উপদ্রব কমিয়ে কীটনাশকমুক্ত ও স্বাস্থ্যকর শুটকি উৎপাদন নিশ্চিত করতে গবেষণাগারে বন্ধ্যামাছি উৎপাদন করা হয়। শুটকির জন্য ক্ষতিকারক বন্য মাছি দমনে মহেশখালীর সোনাদিয়া দ্বীপে ছাড়া হয়েছে ২ লাখ বন্ধ্যা মাছি। এ পদ্ধতি ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে।স্থানীয়দের মতে, ২০০৭ সালেও সোনাদিয়া দ্বীপে ক্ষতিকর মাছির উপদ্রব কমাতে বন্ধ্যা মাছি ছাড়া হয়েছিল। এরপর ক্ষতিকর মাছির উপদ্রব একদম কমে যায় এবং শুটকির উৎপাদন ও গুণগত মানও বৃদ্ধি পায়।

আরও পড়ুন