সায়ীদ আলমগীর, কক্সবাজার»
কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পাচারকালে ছয় তরুণীসহ ৭ রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করেছে র্যাব-১৫’র সদস্যরা।
এসময় মানবপাচার চক্রের অন্যতম হোতা হিসেবে অভিযুক্ত মো. ইদ্রিস নামে একজনকেও আটক করেছে র্যাব। আটক ইদ্রিস চট্টগ্রামের লোহাগাড়া এলাকার আহমদ কবিরের ছেলে।
শুক্রবার বিকালে র্যাব-১৫’র কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন র্যাব-১৫ এর অধিনায়ক খায়রুল ইসলাম সরকার এসব তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, পাচারকারীরা প্রলোভনে ফেলে রোহিঙ্গাদের পাশ্ববর্তী দেশে পাচারের জন্য নিয়ে যাচ্ছিল। র্যাবের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোরে টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কে তল্লাশী চালিয়ে ইদ্রিসকে আটক করে ৭ রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করা হয়।

তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মো. বশর ও সৈয়দ হোসেন নামে আরও দুইজনের নাম জানিয়েছেন ইদ্রিস। যারা ইদ্রিসের মানবপাচার চক্রের সদস্য। এই চক্রে কারা কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
উদ্ধার ভিকটিম তরুণীরা জানায়, উচ্চ বেতনে চাকরিতে যোগ দেয়ানোর কথা বলে তাদেরকে নিয়ে আসছিলো ইদ্রিসরা। ইদ্রিস তাদেরকে কক্সবাজার সদরের লিংকরোড এলাকায় পৌঁছে দিয়ে সেখানে অপেক্ষা করানোর কথা ছিলো। সেখান থেকে অন্যরা ভিন্ন গাড়ি করে তাদের কুমিল্লা সীমান্ত এলাকায় পৌঁছে দেয়ার কথা। সেই মতে তারা লিংকরোডের কাছাকাছি চলেও এসেছিল। কিন্তু আধা কিলো মিটার আগে র্যাব-১৫’র চেকপোস্টে তাদের নামিয়ে ইদ্রিসকে আটক করা হয়েছে।
এসময় একটি মাহিন্দ্র টেক্সীও জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন র্যাব-১৫ এর অধিনায়ক খায়রুল ইসলাম সরকার।












