১৭ মার্চ ২০২৬

আনোয়ারায় শ্রমিকলীগ নেতার উপর হামালার ঘটনায় মামলা

আনোয়ারা প্রতিনিধি»

আনোয়ারায় সালিশী বৈঠকে শ্রমিকলীগ নেতার উপর হামলার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। হামলায় আহত শ্রমিকলীগ নেতা মো. ছবুর দীর্ঘ ১৩ দিন চমেক হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ার পর গতকাল ছাড়পত্র পেয়ে রাড়ি ফিরেছেন। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি বটতলী ইউনিয়নের পূর্ব বড়ৈয়া গ্রামে ধনু তালুকদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার দিন আহত ছবুরের ভাই ওসমান গণি বাদী হয়ে আনোয়ারা থানায় ৮ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।

মামলার আসামীরা হলেন স্থানীয় কবির আহমদের পুত্র মো. মহিউদ্দিন (৩২), মো. মোছলেহ উদ্দিন (২৮), এশফাক উদ্দিন (২৫), বছির আহমদের পুত্র এয়ার মোহামম্মদ (৪২), নুর মোহাম্মদ (৩০), এজাহার মিয়ার পুত্র কবির আহমদ (৫৫), আলী আহমদের পুত্র মো. আনোয়ার (৩০),কবির আহমদের পুত্র মো. হৃদয় (২২)।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, আহত শ্রমিকলীগ নেতা মো. ছবুরের সাথে আসামীদের একটি যৌথ পুকুর রয়েছে। এই পুকুরের লাগিয়তের টাকার ভাগ বাটোয়ারার বিষয়ে একটি সালিশী বৈঠকে বসেন সবাই। সালিশে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আসামীরা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে শ্রমিলীগ নেতা মো. ছবুর ও তার ভাইদের উপর হামলা চালায়। এতে গুরুতর আহত হয় ছবুর। পরে তাকে উদ্বার করে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৩ দিন চমেক হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে গতকাল তাকে চমেক হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়।

এদিকে মামলার পর থেকে আসামীরা পলাতক রয়েছে। পুলিশ আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

আহত শ্রমিকলীগ নেতা মো. ছবুর বলেন, আমাদের বাড়ির পিছনের একটি যৌথ পুকুরের ইজারার টাকার ভাগ বাটোয়ারার বিষয়ে একটি সালিশী বৈঠকে বসেছিলাম। সেখানে তারা কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে বহিরাগত লোকজন নিয়ে পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে আমাদের উপর হামলা চালায়। আমার মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত করলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে আমি বেহুশ হয়ে পড়ে যাই। জ্ঞান ফিরলে দেখি আমাকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে আনোয়ারা থানার ওসি এস এম দিদারুল ইসলাম সিকদার বলেন, বটতলী ইউনিয়নের পূর্ব বরৈয়ার মো. ছবুরের উপর হামলার ঘটনায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। পুলিশ আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

আরও পড়ুন