১৮ মার্চ ২০২৬

রোহিঙ্গা শিশুদের নিয়ে জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন ১৪ এপিবিএন’র

জেলা প্রতিনিধি, কক্সবাজার»

রোহিঙ্গা শিশুদের আপ্যায়ন ও হেসে-খেলে সময় কাটিয়ে অন্যরকম জাতির জনক ও স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন করেছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন। বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) বিকেলে উখিয়ার ওয়ালা পালঙ্ক পুলিশ ক্যাম্পের টুয়েন্টি এক্সটেনশন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক (এসপি) নাইমুল হক নাইম স্বপরিবারে ব্যাটালিয়ন সদস্যদের নিয়ে শিশুদের জুস, চকলেটসহ নানা ধরনের খাবার সামগ্রী বিতরণ করেন। 

এসপি নাইমুল হক বলেন, শিশুরা স্বর্গীয়। তাদের ভেতর কোন ভেদাভেদ নেই। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিশুদের অত্যন্ত ভালোবাসতেন। রোহিঙ্গাদের ভেতর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আমরা রোহিঙ্গাদের সাথে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছি। তারই অংশ হিসেবে আমাদের ব্যাটালিয়ন প্রায়ই রোহিঙ্গা শিশুদের মাঝে খাবারসহ বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলায় অংশ গ্রহণ করে থাকে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের সামাজিক কর্মসূচি অনেক কার্যকর। বিশেষ করে শিশুদের মনে এ ধরনের কর্মসূচি অনেক ভালো প্রভাব ফেলে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে জাতীয় শিশু দিবসটি রোহিঙ্গা শিশুদের সাথে শেয়ার করা।
এ সময় ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (পুলিশ সুপার) নাঈমুল হক পিপিএম’র সহধর্মিনী রেহানা ফেরদৌসী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান ( ক্যাম্প কমান্ডার লম্বাশিয়া ক্যাম্প), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিযুস চন্দ্র দাস (ক্যাম্প কমান্ডার নৌকার মাঠ পুলিশ ক্যাম্প), সহকারি পুলিশ সুপার এমরানুল হক মারুফ (বালুর মাঠ পুলিশ ক্যাম্প কমান্ডার), সহকারি পুলিশ সুপার আবু হাসান (ইরানি পাহাড় পুলিশ ক্যাম্প কমান্ডার), মোহাম্মদ শাকিল হাসান (মধুর ছড়া পুলিশ ক্যাম্প কমান্ডার)সহ অন্যান্য অফিসারবৃন্দ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। 

লম্বাশিয়া ক্যাম্পের সাব-মাঝি রফিকুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ সরকার আমাদের সম্মানজনক ভাবে বসবাসের সুযোগ দিয়েছেন। অনায়াসে দিচ্ছেন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী। এরপরও আমাদের কিছু কওমের অপরাধের কারণে আমরা লজ্জিত হচ্ছি। আমাদের নিরাপত্তায় ক্যাম্পে কাজ করা পুলিশগুলো খুবই মিশুক এবং আন্তরিক। শান্তিপূর্ণ ভাবে থাকতে প্রতি জুমাই খুতবার আগে এবং ব্লক ভিত্তিক বৈঠক করে আমাদের শৃংখলা সম্পর্কে বয়ান দেন। গতকাল আমাদের বাচ্চাদের খাবার দিয়ে হেসে-খেলে সময় কাটিয়েছে। এ ঘটনা আমাদের খুবই আনন্দিত করেছে।

আরও পড়ুন