মাকসুদ আহম্মদ, বিশেষ প্রতিবেদক»
শব-ই-বরাত উপলক্ষে চট্টগাম মেটোপলিটন পুলিশ কমিশনারের নিদেশনা মানছে না শিশু-কিশোররা। বাজি বা পটকা ফোটাতে নিষেধ করা হলেও শুকবার আছরের নামাজের পর থেকে শিশু কিশোররা মেতে উঠেছে এমন কমকান্ডে। অভিযোগ উঠেছে পুলিশ নিদেশনা দিয়ে আর তদারকি না করায় এমনটি ঘটেছে। নগরীর বাজারগুলোতে গত কয়েকদিন ধরে পটকা, বাজি, আতশবাজি, তারাবাতিসহ নানা ধরনের অগ্নি পটকা বিকি হচ্ছে। বাজারেও পুলিশের কোন ধরনের মনিটরি নেই। এলাকা ভিত্তিক সচেতন নাগরিকরা এ বিষয়ে নিষেধ করলেও তাতে কান দিচ্ছে না শিশু কিশোররা।

সিএমপি সূতে জানা গেছে, শিশু-কিশোররা শব ই বরাত উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের পটকা ফোটানোর চেষ্টা করে। এতে মুসুল্লিদের ইবাদত-বন্দেগীতে বিঘœ ঘটার সম্ভাবনা থাকায় সিএমপি কমিশনারের পক্ষ থেকে গণ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে গত ৬ মাচ। যাহাতে জনমনে ভয় সষ্টি না হয়। এছাড়াও আইনশখলা রক্ষাসহ স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশের পক্ষ থেকে এমন নিদেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে পুলিশ কমিশনারের সাময়িক দায়িত্বে থাকা এডিশনাল কমিশনার শ্যামল কুমার নাথ জানিয়েছেন, ১৮ মার্চ তথা শুক্রবার সন্ধা থেকে সিএমপি অধ্যাদেশ ১৯৭৮ এর ২৯ ধারা অনুযায়ী ৯ মাচ শনিবার সকাল ৬টা পযন্ত সকল পকার আতশবাজি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শুধু তাই নয় এসব আতশবাজি উৎপাদন, মজুদ, বিকয় ও বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে এক্ষেতে কেউ যদি আমাদের নিদশনা না মানে তাহলে আদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে শাস্তিমুলক ববস্থা গহন করা হবে।

নগরির বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আতশবাজি, পটকা, তারাবাতি দেদারসে বিকি হয়েছে। বাজারের দোকানগুলোতে শুকবার সকাল থেকেই ছিল শিশু কিশোরদের ঢল। দুরদুরান্ত থেকে শিশু কিশোররা সাইকেলে চড়ে বাজারে গিয়েছে আতশবাজি কিনতে। দোকানীরাও আতশবাজির পসরা সাজিয়েছে। আছরের নামাজের পর থেকেই নগরীর পাহাড়তলী বাজার, আগাবাদের কণফুলি বাজার, হালিশহরের ফইলাতলী বাজার ও খুলশী থানাধীন ঝাউতলা বাজারে সবচেয়ে বেশী ভিড় ছিল শিশু কিশোরদের। শিশু কিশোরদের পুঁজি করেই এ ধরনের পটকার বাজার পতি বছর গড়ে ওঠে এমন অভিযোগ অভিভাবকদের।












