১৩ মার্চ ২০২৬

আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’

আবহাওয়া ডেস্ক»

শক্তি বাড়িয়ে বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্বে থাকা নিম্নচাপটি কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে যাচ্ছে। এ ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘অশনি’। সোমবার বা মঙ্গলবার প্রবল শক্তি নিয়ে এটি ভারত, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে আঘাত হানতে পারে।

শনিবার থেকেই ভারতের মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সমুদ্র তীরবর্তী পর্যটন কেন্দ্রগুলোর তৎপরতাও আপাতত বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড়ের সরাসরি প্রভাব পশ্চিমবঙ্গে না পড়লেও পরোক্ষ প্রভাব পড়বে। আগামী কয়েক দিনে এ রাজ্যের অস্বস্তি আরো বাড়বে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া অফিস। বাড়বে তাপমাত্রাও। তবে কোনো জেলাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। শনিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ভারতের আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী ২৪ ঘণ্টায় শহরের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে যথাক্রমে ৩৬ ও ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। আমফান, ইয়াসে লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছিল গোটা রাজ্য। তবে এবার ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়ার তেমন আশঙ্কা নেই। খবর আনন্দবাজারের

আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা এবং পায়রা সমুদ্র বন্দরকে পরবর্তী নির্দেশনার জন্য সাবধানতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে তাদেরকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।

ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত গভীর নিম্নচাপটি ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে। রোববারের মধ্যে তা সুস্পষ্ট নিম্নচাপ হিসেবে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের ওপর দিয়ে বয়ে যাবে। আর সোমবার সকালের মধ্যে তা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে আছড়ে পড়বে। তার পর উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে মঙ্গলবারের মধ্যে তা উত্তর মিয়ানমার ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশ উপকূলে পৌঁছাবে।

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ