ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো যদি ফিফা ২০২৬ এর বিশ্বকাপ না-ও খেলতেন, এতে তাঁর এ যাবত অর্জনের যে আয়না, সেখান থেকে তাঁর যে মহত্ত্ব এবং গুরুত্ব তা কম প্রতিবিম্বিত হতো না। বিশ্বফুটবলের যে বিচারসভা, সেখানে কেবল বিশ্বকাপের ট্রফি দিয়ে কিংবদন্তিদের মূল্য নির্ধারণ হয় না। বিশ্বফুটবলের যে ইতিহাস, সেই ইতিহাসের আয়নায় চিরন্তনতা সবচেয়ে বেশি প্রতিবিম্বিত হয়।
জোহান ক্রুয়েফের হাতে বিশ্বকাপ ওঠেনি, মিশেল প্লাতিনিরও নয়, রবার্তো বাজ্জিও, পাওলো মালদিনি, ডেভিড বেকহ্যামের মতো বিস্ময়কর মহাতারকারাও সেই স্বর্ণমুকুট স্পর্শ করতে পারেননি। এমনকি জর্জ বেস্টের মতো এক অনন্য প্রতিভা যে বিশ্বকাপের মঞ্চেই পা রাখতে পারেননি। অথচ তাঁদের কেউই ফুটবলস্মৃতির মহাকাশ থেকে নক্ষত্রের সামান্য উজ্জ্বলতা হারাননি। অমরত্বের মধ্যে জাদুভরা যে চিরন্তনতা আছে, এর বিপ্রতীপে সেখানে সব ট্রফির সমান মূল্য নেই।
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ক্ষেত্রেও এই বিষয়টি প্রজ্বলিত জ্যোৎস্নার আলোর মতো সত্য। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে রোনালদো সারাবিশ্বে যে উত্তরাধিকার নির্মাণ করেছেন, সেই আত্মনির্মাণ প্রকল্পের নাম CR7। এই CR7 এমন এক পরিচয়, যা রক্তমাংসের মানুষকে অতিক্রম করে রোনালদোকে একটি প্রতীকে পরিণত করেছে। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে রোনালদো শুধু গোলই করেননি, তিনি বিশ্ব ফুটবলে রেকর্ডের সংজ্ঞাও বদলে দিয়েছেন। তিনি কেবল ম্যাচ জিতাননি, রোনালদো প্রজন্মের পর প্রজন্মকে উচ্চাকাঙ্ক্ষার নতুনভাবে আলো জ্বালাতে শিখিয়েছেন।
পাঁচটি ব্যালন ডি’অর, পাঁচটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপ, নেশনস লিগ, ক্লাব ও জাতীয় দলের অগণিত গোল— সব মিলিয়ে তিনি নিজেই এক পরিসংখ্যানগত বিস্ময়ের আলো। সেই বিস্ময়ের আলোকধারায় দুই দশক অতিক্রম করেও, ফিফা ২০২৬ এই বিশ্বকাপে নিজের আলোয় পুর্তগাল দল নিয়ে এখনও মাঠে খেলছেন। গতকালের পুর্তগাল-উজবেকিস্তান ম্যাচে নিজে দুইটি গোল করে (৫-০) শরীরকে তরাঙ্গায়িত করে হিউস্টন স্টেডিয়ামে তাঁর দুইটি গোলকে CR7 ভঙ্গিতে উদ্যাপন করেছেন।
৪১ বছর বয়সে অধিকাংশ ফুটবলার যখন নিজেদের অতীতকে স্মৃতিচারণের দেয়ালে উজ্জ্বল করে তুলেন, রোনালদো এখনও বর্তমানের আয়নায় আরও উজ্জ্বলভাবে নিজের ক্যারিয়ারকে প্রতিবিম্বিত করে চলেছেন। এখন তাঁর অস্তিত্বের জলাধারে উত্থাপিত সমালোচনামূলক হর্ষধ্বনি অমূলক নয়, অনেকেই সমর্পিত শব্দে প্রশ্ন তূলেছেন— বর্তমান পর্তুগাল দলের গুরুত্বে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো কতখানি অপরিহার্য? তরুণ ও দ্রুতগতির কোনো ফরোয়ার্ড কি দলকে আরও কার্যকর করে তুলতে পারত না? ব্যক্তিগত উত্তরাধিকারের আকাঙ্ক্ষা কি কখনও কখনও দলগত স্বার্থকে ছাপিয়ে যায় না? এই প্রশ্নগুলোর চূড়ান্ত উত্তর হয়তো ইতিহাসের পরিধিই তৈরি করে দিবে। কিন্তু ২৩ জুন ২০২৬ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে উজবেকিস্তান-পুর্তগাল ম্যাচে রোনালদো নিজের স্নায়ুর ভাষায় এর জবাব দিয়ে দিয়েছেন। রোনালদো এখনও এমন এক খেলোয়াড়, যিনি সুযোগের কৌশলে গোল করতে পারেন, জাদুভরা দক্ষতায় মুহূর্তকে বদলে দিতে পারেন, প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে তাঁর বৈভবে ব্যস্ত রাখতে পারেন। তাঁর খেলা এখন আর তারুণ্যের ছায়ায় পূর্ণ জোরালো নয়; কিন্তু তাঁর অভিজ্ঞতার জাগরণ, মাঠের অবস্থানবোদ, সময়জ্ঞানের উঁকিঝুঁকি এবং এক অদম্য প্রতিযোগিতামূলক মনস্কতা— এখনও রোনালদো-বিশেষত্বে উজ্জ্বল।
ফুটবল নিঃসন্দেহে দলগত মহামান্বিত খেলা, কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী, কিছু খেলোয়াড় এমন আকার ধারণ করেছেন যে তাঁরা খেলার সমষ্টিগত কাঠামো ভেদ করে স্বতন্ত্র এক সক্ষমতায় পরিণত হয়েছেন। পেলে, মারাদোনা, ক্রুয়েফ, মেসি কিংবা রোনালদো— তাঁরা কেবল খেলোয়াড় নন, তাঁরা ফুটবলের একেকটি যুগের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি। তাঁদের উপস্থিতি ম্যাচকে খেলাধুলার সীমানা থেকে টেনে নিয়ে গেছে বৃহত্তর মানবিক আবেগের দিগন্তসীমায়। এই কারণেই এই বিশ্বকাপে পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ ম্যাচ দেখার আগে প্রথমে স্কোরলাইন নিয়ে নয়, রোনালদোকে নিয়ে ভাবেন। তিনি গোল করবেন কি না, কতক্ষণ খেলবেন, কীভাবে উদ্যাপন করবেন— এসব প্রশ্ন বাস্তবতা আর আবেগের মধ্যবর্তী হয়ে ধারাণাতীত কাহিনি তৈরি করেছে।
স্টেডিয়ামের আলোর প্রতিচ্ছবি, ক্যামেরার ফ্রেমের অন্তরঙ্গতা, দর্শকের প্রত্যাশার দৃষ্টি— সব যেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে সীমাহীনতায় তাঁর দিকে ঝুঁকে পড়ে। এটি কেবল রোলানদোর ফুটবলের নভোনীল জনপ্রিয়তার অন্ত্যমিল নয়, এসব একযোগে এক ব্যাকুলতাশীল বোধের উপস্থাপন, যা পৃথিবীর খুব কম মানুষের ভাগ্যে মুদ্রিত হয়। তরুণ বয়সে রোনালদোর মনোকৌশলে ছিল বিস্ফোরক গতি ও মাঠশাসনের প্রতীক। আর পরিণত বয়সে রোনালদো হয়ে উঠেছেন অধ্যবসায়ের জলস্রোত। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মৌলিকতা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তিনি প্রমাণ করেছেন যে প্রতিভা মানুষকে মহান করে, কিন্তু অধ্যবসায় একজনকে কিংবদন্তিতে পরিণত করে। এবং সেই কারণেই, ট্রফি থাক বা না-থাক, বিশ্বকাপ জয় আসুক বা না-আসুক, ফুটবল ইতিহাসে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর নাম উচ্চারিত হবে এক বিশেষ শ্রদ্ধার সঙ্গে। এই কারণেই মাদেইরার সেই কিশোর একদিন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো থেকে CR7 হয়ে উঠেছিল। কারণ সে শুধু জয় করতে চায়নি, সে নিজের অস্তিত্বকে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে যেতে চেয়েছিল, যেখানে একজন মানুষ ধীরে ধীরে একটি প্রতীকে, একটি প্রতীক ধীরে ধীরে একটি কিংবদন্তিতে, আর একটি কিংবদন্তি অবশেষে একটি যুগে পরিণত হয়।
লেখক : কবি, সাহিত্যিক ও সমালোচক
এক অদম্য প্রতিযোগিতামূলক মনস্কতা— এখনও রোনালদো-বিশেষত্বে উজ্জ্বল
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো যদি ফিফা ২০২৬ এর বিশ্বকাপ না-ও খেলতেন, এতে তাঁর এ যাবত অর্জনের যে আয়না, সেখান থেকে তাঁর যে মহত্ত্ব এবং গুরুত্ব তা কম প্রতিবিম্বিত হতো না। বিশ্বফুটবলের যে বিচারসভা, সেখানে কেবল বিশ্বকাপের ট্রফি দিয়ে কিংবদন্তিদের মূল্য নির্ধারণ হয় না। বিশ্বফুটবলের যে ইতিহাস, সেই ইতিহাসের আয়নায় চিরন্তনতা সবচেয়ে বেশি প্রতিবিম্বিত হয়।
জোহান ক্রুয়েফের হাতে বিশ্বকাপ ওঠেনি, মিশেল প্লাতিনিরও নয়, রবার্তো বাজ্জিও, পাওলো মালদিনি, ডেভিড বেকহ্যামের মতো বিস্ময়কর মহাতারকারাও সেই স্বর্ণমুকুট স্পর্শ করতে পারেননি। এমনকি জর্জ বেস্টের মতো এক অনন্য প্রতিভা যে বিশ্বকাপের মঞ্চেই পা রাখতে পারেননি। অথচ তাঁদের কেউই ফুটবলস্মৃতির মহাকাশ থেকে নক্ষত্রের সামান্য উজ্জ্বলতা হারাননি। অমরত্বের মধ্যে জাদুভরা যে চিরন্তনতা আছে, এর বিপ্রতীপে সেখানে সব ট্রফির সমান মূল্য নেই।
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ক্ষেত্রেও এই বিষয়টি প্রজ্বলিত জ্যোৎস্নার আলোর মতো সত্য। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে রোনালদো সারাবিশ্বে যে উত্তরাধিকার নির্মাণ করেছেন, সেই আত্মনির্মাণ প্রকল্পের নাম CR7। এই CR7 এমন এক পরিচয়, যা রক্তমাংসের মানুষকে অতিক্রম করে রোনালদোকে একটি প্রতীকে পরিণত করেছে। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে রোনালদো শুধু গোলই করেননি, তিনি বিশ্ব ফুটবলে রেকর্ডের সংজ্ঞাও বদলে দিয়েছেন। তিনি কেবল ম্যাচ জিতাননি, রোনালদো প্রজন্মের পর প্রজন্মকে উচ্চাকাঙ্ক্ষার নতুনভাবে আলো জ্বালাতে শিখিয়েছেন।
পাঁচটি ব্যালন ডি’অর, পাঁচটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপ, নেশনস লিগ, ক্লাব ও জাতীয় দলের অগণিত গোল— সব মিলিয়ে তিনি নিজেই এক পরিসংখ্যানগত বিস্ময়ের আলো। সেই বিস্ময়ের আলোকধারায় দুই দশক অতিক্রম করেও, ফিফা ২০২৬ এই বিশ্বকাপে নিজের আলোয় পুর্তগাল দল নিয়ে এখনও মাঠে খেলছেন। গতকালের পুর্তগাল-উজবেকিস্তান ম্যাচে নিজে দুইটি গোল করে (৫-০) শরীরকে তরাঙ্গায়িত করে হিউস্টন স্টেডিয়ামে তাঁর দুইটি গোলকে CR7 ভঙ্গিতে উদ্যাপন করেছেন।
৪১ বছর বয়সে অধিকাংশ ফুটবলার যখন নিজেদের অতীতকে স্মৃতিচারণের দেয়ালে উজ্জ্বল করে তুলেন, রোনালদো এখনও বর্তমানের আয়নায় আরও উজ্জ্বলভাবে নিজের ক্যারিয়ারকে প্রতিবিম্বিত করে চলেছেন। এখন তাঁর অস্তিত্বের জলাধারে উত্থাপিত সমালোচনামূলক হর্ষধ্বনি অমূলক নয়, অনেকেই সমর্পিত শব্দে প্রশ্ন তূলেছেন— বর্তমান পর্তুগাল দলের গুরুত্বে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো কতখানি অপরিহার্য? তরুণ ও দ্রুতগতির কোনো ফরোয়ার্ড কি দলকে আরও কার্যকর করে তুলতে পারত না? ব্যক্তিগত উত্তরাধিকারের আকাঙ্ক্ষা কি কখনও কখনও দলগত স্বার্থকে ছাপিয়ে যায় না? এই প্রশ্নগুলোর চূড়ান্ত উত্তর হয়তো ইতিহাসের পরিধিই তৈরি করে দিবে। কিন্তু ২৩ জুন ২০২৬ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে উজবেকিস্তান-পুর্তগাল ম্যাচে রোনালদো নিজের স্নায়ুর ভাষায় এর জবাব দিয়ে দিয়েছেন। রোনালদো এখনও এমন এক খেলোয়াড়, যিনি সুযোগের কৌশলে গোল করতে পারেন, জাদুভরা দক্ষতায় মুহূর্তকে বদলে দিতে পারেন, প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে তাঁর বৈভবে ব্যস্ত রাখতে পারেন। তাঁর খেলা এখন আর তারুণ্যের ছায়ায় পূর্ণ জোরালো নয়; কিন্তু তাঁর অভিজ্ঞতার জাগরণ, মাঠের অবস্থানবোদ, সময়জ্ঞানের উঁকিঝুঁকি এবং এক অদম্য প্রতিযোগিতামূলক মনস্কতা— এখনও রোনালদো-বিশেষত্বে উজ্জ্বল।
ফুটবল নিঃসন্দেহে দলগত মহামান্বিত খেলা, কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী, কিছু খেলোয়াড় এমন আকার ধারণ করেছেন যে তাঁরা খেলার সমষ্টিগত কাঠামো ভেদ করে স্বতন্ত্র এক সক্ষমতায় পরিণত হয়েছেন। পেলে, মারাদোনা, ক্রুয়েফ, মেসি কিংবা রোনালদো— তাঁরা কেবল খেলোয়াড় নন, তাঁরা ফুটবলের একেকটি যুগের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি। তাঁদের উপস্থিতি ম্যাচকে খেলাধুলার সীমানা থেকে টেনে নিয়ে গেছে বৃহত্তর মানবিক আবেগের দিগন্তসীমায়। এই কারণেই এই বিশ্বকাপে পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ ম্যাচ দেখার আগে প্রথমে স্কোরলাইন নিয়ে নয়, রোনালদোকে নিয়ে ভাবেন। তিনি গোল করবেন কি না, কতক্ষণ খেলবেন, কীভাবে উদ্যাপন করবেন— এসব প্রশ্ন বাস্তবতা আর আবেগের মধ্যবর্তী হয়ে ধারাণাতীত কাহিনি তৈরি করেছে।
স্টেডিয়ামের আলোর প্রতিচ্ছবি, ক্যামেরার ফ্রেমের অন্তরঙ্গতা, দর্শকের প্রত্যাশার দৃষ্টি— সব যেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে সীমাহীনতায় তাঁর দিকে ঝুঁকে পড়ে। এটি কেবল রোলানদোর ফুটবলের নভোনীল জনপ্রিয়তার অন্ত্যমিল নয়, এসব একযোগে এক ব্যাকুলতাশীল বোধের উপস্থাপন, যা পৃথিবীর খুব কম মানুষের ভাগ্যে মুদ্রিত হয়। তরুণ বয়সে রোনালদোর মনোকৌশলে ছিল বিস্ফোরক গতি ও মাঠশাসনের প্রতীক। আর পরিণত বয়সে রোনালদো হয়ে উঠেছেন অধ্যবসায়ের জলস্রোত। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মৌলিকতা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তিনি প্রমাণ করেছেন যে প্রতিভা মানুষকে মহান করে, কিন্তু অধ্যবসায় একজনকে কিংবদন্তিতে পরিণত করে। এবং সেই কারণেই, ট্রফি থাক বা না-থাক, বিশ্বকাপ জয় আসুক বা না-আসুক, ফুটবল ইতিহাসে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর নাম উচ্চারিত হবে এক বিশেষ শ্রদ্ধার সঙ্গে। এই কারণেই মাদেইরার সেই কিশোর একদিন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো থেকে CR7 হয়ে উঠেছিল। কারণ সে শুধু জয় করতে চায়নি, সে নিজের অস্তিত্বকে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে যেতে চেয়েছিল, যেখানে একজন মানুষ ধীরে ধীরে একটি প্রতীকে, একটি প্রতীক ধীরে ধীরে একটি কিংবদন্তিতে, আর একটি কিংবদন্তি অবশেষে একটি যুগে পরিণত হয়।
লেখক : কবি, সাহিত্যিক ও সমালোচক
আরও পড়ুন
সাইবার হামলার শঙ্কা, বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ
বাংলাদেশিদের ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়া নিয়ে বড় সুখবর
কওমি রাজনীতিতে নতুন মোড়, ৭ দলের নতুন জোট
সৌদির বিমানবন্দরে হামলায় আহত দুই বাংলাদেশি
এ সম্পর্কিত আরও
বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার
সার্কিট হাউসে ফিরেই সিন্ডিকেট সভা ডাকলেন চুয়েট উপাচার্য
চট্টগ্রামে ফুডপান্ডাকে বয়কট করলেন রেস্তোরাঁ মালিকেরা
মোটরসাইকেলের সামনেও লাগাতে হবে নম্বরপ্লেট, সময় বেঁধে দিল বিআরটিএ
সর্বশেষ
সাইবার হামলার শঙ্কা, বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ
বাংলাদেশিদের ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়া নিয়ে বড় সুখবর
কওমি রাজনীতিতে নতুন মোড়, ৭ দলের নতুন জোট
সৌদির বিমানবন্দরে হামলায় আহত দুই বাংলাদেশি
সাজেকে পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর ইউপিডিএফ’র গুলিবর্ষণ