২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুতুপালং ক্যাম্পে সংঘর্ষের ঘটনায় অস্ত্রসহ ১৬ রোহিঙ্গা গ্রেপ্তার

কক্সবাজার প্রতিনিধি »

কক্সবাজারের কুতুপালং ক্যাম্পে সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে অস্ত্রসহ ১৬ রোহিঙ্গাকে গ্রেপ্তার করেছে ক্যাম্পে দায়িত্বরত আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন-১৬) কক্সবাজারের সদস্যরা। তাদের কাছ থেকে দেশীয় তৈরি অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দিনের পৃথক সময়ে উখিয়ার বালুখালী চেকপোস্ট ও সোনার পাড়া চেকপোস্টে অভিযানে এসব রোহিঙ্গাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

তারা সংঘর্ষের ঘটনায় হওয়া মামলার পর গ্রেফতার এড়াতে পালাচ্ছিলেন বলে স্বীকার করেছে। কক্সবাজারের এপিবিএন-১৬ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক (পুলিশ সুপার) মো. হেমায়েতুর রহমান এ তথ‌্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব‌্যক্তিরা কুতুপালং ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত ছিল। তারা গ্রেপ্তারের ভয়ে ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছিল। এপিবিএন অধিনায়ক বলেন, শনিবার সকালে এপিবিএন-এর উখিয়ার বালুখালী চেকপোস্টের সদস্যরা তল্লাশী করে ক্যাম্প থেকে পালানোর সময় চারটি রামদাসহ চার রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়। সম্প্রতি কুতুপালং ক্যাম্পে সংঘটিত দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় তারা জড়িত ছিল।

গ্রেপ্তারকৃরা হলো- জিয়াউর রহমান (৩০), মো. উসমান (৩০), সৈয়দ উল্লাহ (২৮) ও মো. রফিক (৩০)। তারা উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্পের বিভিন্ন ব্লকের বাসিন্দা।

অপরদিকে, শনিবার সকালে উখিয়ার সোনার পাড়া চেকপোস্টে তল্লাশিকালে ১২ জন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার রোহিঙ্গারা হলো- এজাজুল হক (৬০), রহমত উল্লাহ (২৯), সোনা মিয়া (২১), রশিদ উল্লাহ (১৫), ইয়াচের (২১), উসমান (২১), ইসমাঈল (১৬), কবির আহম্মদ (৪০), সুলতান আহম্মেদ (৪০), আইয়ুব সালাম (২৫), আবুল কাশেম (১৮) ও মো. রফিক উল্লাহ (৩০)।

গ্রেপ্তারকৃত এসব রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের সংশ্লিষ্ট মামলায় আসামি দেখিয়ে উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান এপিবিএন অধিনায়ক (এসপি) মো. হেমায়েতুর রহমান।

বাংলাধারা/এফএস/এএ

আরও পড়ুন