৬ নভেম্বর ২০২৬

প্রতিবাদ সভায় রাজনীতিবিদরা

‘চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে’

চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের কাছে ইজারা দেওয়া প্রসঙ্গে বিএনপি সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন রাজনীতিবিদরা। রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘দেশ বাঁচাও, বন্দর বাঁচাও আন্দোলন’ আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তারা এই দাবি জানান।

বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর ও মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বিএনপি সরকারের জন্য অগ্নিপরীক্ষা। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

সংগঠনটির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদার সভাপতিত্বে ও মোমিনুল আমিনের পরিচালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম। এ ছাড়া আরও বক্তব্য দেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ফিরোজ, সিপিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহিদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল প্রমুখ।

শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের সবচেয়ে আধুনিক, আয়বর্ধক ও গতিশীল বন্দর। এই বন্দর এই মুহূর্তে কারও কাছে ইজারা দেওয়ার কোনো কারণ নেই।

সাইফুল হক বলেন, দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর এবং সামগ্রিক অর্থনীতির চালিকাশক্তি ও হৃৎপিণ্ড চট্টগ্রাম বন্দরকে কোনোভাবেই আমরা বিদেশিদের হাতে তুলে দিতে পারি না। বিএনপি সরকারকে এ বিষয়ে চুক্তি বাতিল করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিও দাসত্ব তথা অধীনতামূলক চুক্তি। আশা করি, সরকার এসব গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি নিয়ে সংসদে খোলামেলা আলোচনা করে বাতিলের পদক্ষেপ নেবে।

বজলুর রশিদ ফিরোজ বলেন, আমাদের আহ্বান থাকবে চট্টগ্রাম বন্দরকে কোনোভাবেই যেন বিদেশিদের কাছে লিজ দেওয়া না হয়। সীমান্তে পুশইনের মাধ্যমে ভারত এ দেশের শান্তিশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার অপচেষ্টা করছে বলেও দাবি করেন তিনি। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানান রুহিন হোসেন প্রিন্স।

সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ এহসানুল হুদা বলেন, বিদেশিদের কাছে ইজারা দিয়ে নয়, আমরা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চট্টগ্রাম বন্দরকে আরও উন্নত করতে চাই।

আরও পড়ুন