চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক একটি নোটিশকে ‘অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়ে এর প্রতিবাদ জানিয়ে ৬ দফা দাবি উত্থাপন করেছেন। একই সঙ্গে দাবি বাস্তবায়নে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন তারা।
বুধবার (৩ জুন) চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ ইরফানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ১৯ মে ২০২৬ তারিখে গৃহীত এফসিপিএস ট্রেনিং-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তসমূহ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাতিল করে নতুন নির্দেশনা জারি করতে হবে। সংগঠনটির দাবি, উক্ত সিদ্ধান্ত চিকিৎসক সমাজের স্বার্থবিরোধী এবং তা পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের উত্থাপিত দাবির মধ্যে রয়েছে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষায় ‘স্বাস্থ্যকর্মী নিরাপত্তা আইন’ প্রণয়ন এবং এ আইনের আওতায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করা।
এছাড়া ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ, বেসরকারি ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন নবম গ্রেডের সমপর্যায়ে উন্নীত করা এবং বেসরকারি চিকিৎসকদের জন্য নির্দিষ্ট বেতন কাঠামো প্রণয়নের দাবি জানানো হয়েছে।
সংগঠনটির অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে বিসিএস ক্যাডারে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৪ বছর নির্ধারণ, বিএমডিসি ২০২৫ অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করে ভুয়া ও অবৈধ চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিসিপিএস ও বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফি সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা নির্ধারণ।
বিজ্ঞপ্তিতে ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, চিকিৎসক সমাজের পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নের স্বার্থে তাদের দাবিগুলো যৌক্তিক এবং দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। অন্যথায়, দাবি আদায়ে চিকিৎসক সমাজ বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে বলেও সতর্ক করেছে সংগঠনটি।














