২১ অক্টোবর ২০২৬

ব্যতিক্রমী বার্তা নিয়ে নাটক

জুয়ার নেশা থেকে ফেরার গল্প ‘বাজির তাস’

সমাজ সচেতনতার বার্তা নিয়ে নির্মিত হয়েছে নাট্যপাড়া মিডিয়ার নতুন নাটক ‘বাজির তাস’। অনলাইন জুয়ার বিস্তার এবং এর ভয়াবহ সামাজিক প্রভাবকে কেন্দ্র করে নির্মিত নাটকটির শুটিং সম্প্রতি শেষ হয়েছে।

মধ্যবিত্ত একটি পরিবারের গল্পের মধ্য দিয়ে নাটকটিতে তুলে ধরা হবে— কীভাবে জুয়ার নেশা ধীরে ধীরে একজন মানুষকে পরিবার, সম্পর্ক ও স্বাভাবিক জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। তবে শুধু জুয়ার নেতিবাচক দিকই নয়, ভুল পথ থেকে ফিরে আসার সুযোগ এবং সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার বার্তাও থাকছে গল্পে।

নাট্যপাড়া মিডিয়ার দ্বিতীয় প্রযোজনা ‘বাজির তাস’। বর্তমান সময়ে অনলাইনভিত্তিক বিনোদন কনটেন্টের বড় একটি অংশ যখন প্রেম, সম্পর্ক ও হালকা বিনোদননির্ভর, তখন তুলনামূলক কঠিন ও সময়োপযোগী একটি সামাজিক বিষয়কে গল্পের কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি।

নাটকটির পরিচালনায় রয়েছেন অরিন্দম মুখার্জী বিংকু। গল্পের আবেগ, পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও সামাজিক বাস্তবতাকে সামনে রেখে দর্শকের কাছে বিষয়টি সহজভাবে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তিনি।

পরিচালক অরিন্দম মুখার্জী বিংকু বলেন, শুধু বিনোদন দেওয়াই নয়, একটি গল্প শেষ হওয়ার পর দর্শকের মনে যদি কোনো প্রশ্ন তৈরি হয় কিংবা নিজের জীবন ও সমাজ নিয়ে ভাবার সুযোগ তৈরি হয়, তাহলেই নির্মাণ সার্থক।

‘বাজির তাস’ রচনা করেছেন তৈমুর খান। প্রযোজক রায়হান নবী। সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সহযোগিতায় রয়েছেন ওমর শরীফ খান সাইকি ও মো. গোলাম রসুল সরদার বাঁধন।

নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন জাহিদ আশিক, শেখ চাঁদনি, শাহিন মৃধা, রাশেদা রাখী, বাঁধন, অতিথি শিল্পী মোশাররফ ভূঁইয়া পলাশ, বাপ্পী হায়দার ও অরিন্দম মুখার্জী বিংকু।

অনলাইন জুয়ার মতো একটি সামাজিক সংকটকে বিনোদনের গল্পের মাধ্যমে দর্শকের সামনে তুলে ধরার কারণে শুরু থেকেই আলাদা আগ্রহ তৈরি করেছে ‘বাজির তাস’। এখন দর্শকের কাছে নাটকটি কতটা সাড়া ফেলে, সেদিকেই তাকিয়ে সংশ্লিষ্টরা।

নির্মাতাদের প্রত্যাশা, নাটকটি শুধু বিনোদন দেবে না; অনলাইন জুয়ার ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে দর্শকের মধ্যে সচেতনতা তৈরি এবং সামাজিকভাবে প্রতিরোধের প্রয়োজনীয়তাও সামনে আনবে।

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ