পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে ব্যাপক পরিসরে কুরবানির মাংস বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে আল্লামা আবুল খাইর ফাউন্ডেশন। সংগঠনটির উদ্যোগে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ১০ হাজার অসহায় ও নিম্নআয়ের পরিবারের মাঝে কুরবানির মাংস বিতরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৯ মে) ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনে আনোয়ারা উপজেলার পরুয়া পাড়া মাদ্রাসা আরাবিয়া খাইরিয়া প্রাঙ্গণে কুরবানির পশু জবাই ও মাংস বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচির আওতায় প্রতি পরিবারকে দুই কেজি করে কুরবানির মাংস প্রদান করা হয়।
ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও আনোয়ারা, কর্ণফুলী, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম নগরী ও পেকুয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় কুরবানির মাংস বিতরণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতেও মাংস বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়।
এ বছর সংগঠনটির উদ্যোগে ২৫০টি কুরবানির পশু জবাই করা হয়। এসব পশুর মাংস ১০ হাজার পরিবারের পাশাপাশি শতাধিক মাদ্রাসা ও এতিমখানায় পৌঁছে দেন স্বেচ্ছাসেবকরা। মাদ্রাসা ও এতিমখানাগুলোতে প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমাণ মাংস সরবরাহ করা হয়।
কুরবানির মাংস পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন উপকারভোগীরা। অনেকেই বলেন, এমন উদ্যোগের ফলে ঈদের আনন্দ আরও পরিপূর্ণ হয়েছে এবং অসহায় মানুষেরাও কুরবানির মাংস খাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।
আল্লামা আবুল খাইর ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাওলানা সোহাইল সালেহ বলেন, ‘প্রতি বছরের মতো এবারও ২৫০টি কুরবানির পশু জবাই করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় মাংস বিতরণ এবং মাদ্রাসা-এতিমখানাগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ মাংস সরবরাহ করা হয়েছে। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কুরবানির প্রকৃত শিক্ষা হলো ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবসেবার চর্চা। সেই চেতনা থেকেই ফাউন্ডেশন প্রতি বছর এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে আসছে।’














