২৩ অক্টোবর ২০২৬

শাটল ট্রেনের ভোগান্তি কমাতে রেল প্রতিমন্ত্রীর কাছে ৬ দাবি চাকসুর

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম শাটল ট্রেন। দীর্ঘদিন ধরে ট্রেন সংকট, পুরোনো ইঞ্জিন, ভাঙাচোরা বগি, শিডিউল বিপর্যয় ও নিরাপত্তার ঘাটতিসহ নানা সমস্যায় ভোগান্তিতে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২৭ হাজার শিক্ষার্থী। এসব সমস্যা নিরসনে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপির কাছে ছয় দফা দাবি পেশ করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক।

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— শাটল ট্রেনের পুরোনো ইঞ্জিন পরিবর্তন, নতুন ট্রেন সংযোজন, লুপ লাইনের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি, বগি সংস্কার, শিডিউল বিপর্যয় নিরসন এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন শাটল ট্রেনে ক্যাম্পাস ও নগরের মধ্যে যাতায়াত করেন। তবে প্রয়োজনের তুলনায় ট্রেন ও বগির সংখ্যা কম হওয়ায় অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে হয়। পাশাপাশি পুরোনো ইঞ্জিন ও বগির কারণে প্রায়ই যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। এতে নির্ধারিত সময়ে ক্লাস, পরীক্ষা ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রমে পৌঁছাতে সমস্যায় পড়েন শিক্ষার্থীরা।

এ ছাড়া শাটল ট্রেনে অতিরিক্ত যাত্রী বহন, বগির স্বল্পতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাও দীর্ঘদিনের সমস্যা। শিক্ষার্থীদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থীসংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শাটল ট্রেনের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।

চাকসুর এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির অন্যতম নাম শাটল ট্রেন। ট্রেন সংকট, পুরোনো ইঞ্জিন, ভাঙাচোরা বগি ও শিডিউল বিপর্যয়সহ নানা সমস্যা রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপির কাছে ছয় দফা দাবি পেশ করেছি।’

তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে ইঞ্জিন পরিবর্তন, নতুন ট্রেন সংযোজন, লুপ লাইনের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি এবং নিরাপত্তার বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেছি। মন্ত্রী মহোদয় আমাদের সমস্যাগুলো সম্পর্কে অবগত আছেন এবং দ্রুততম সময়ে সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।’

২৭ হাজার শিক্ষার্থীর দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে সরকার দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন চাকসুর এজিএস। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের কষ্ট লাঘবে তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন