কক্সবাজার প্রতিনিধি »
কক্সবাজার টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়ন ৯নম্বর ওয়ার্ড নোয়াখালী পাড়ার গহীন পাহাড় থেকে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী কতৃর্ক অপহৃত ৪ জন বাংলাদেশিকে উদ্ধার করেছে র্যাব ও পুলিশের যৌথ টিম। এসময় অপহরণ চক্রের এক সদস্যকেও আটক করা হয়।
সোমবার দিনগত মাঝরাতে গহীন বনে অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার ও অপহরণ চক্রের সদস্যকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন বাহারছরা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ নুর মুহাম্মদ।
আটক ফরিদ আহমদ (৩৮) টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়ন কোনাপাড়ার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ফজল আহমদের ছেলে। তিনি রোহিঙ্গা অপরাধীদের সহযোগী হয়ে কাজ করতো বলে তথ্য পেয়েছে শৃঙ্খলা বাহিনী।
উদ্ধার হওয়া অপহৃত ভিকটিমরা হলেন— টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়ন ৯ নম্বর ওয়ার্ড নোয়াখালী পাড়ার মো. ইলিয়াসের ছেলে আমিনুর রহমান(১৪), মো.ইসমাইলের ছেলে মো. নুর (২০), মৃত শামসু মিয়ার ছেলে মো. ইলিয়াস(৩৮) ও মৃত নুরুল হকের ছেলে ছৈয়দ আহমদ(৬৫)।
সোমবার(১ আগষ্ট) রাত ১০টার দিকে উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়ন ৯ নম্বর ওয়ার্ড নোয়াখালী পাড়ার গহীন পাহাড় থেকে তাদের উদ্ধার করে র্যাব-১৫ ও পুলিশের একটি যৌথ টিম।
জানা যায়, গত ২৯ জুলাই রাত ১১টার দিকে বাহারছড়া ইউনিয়ন ৯নম্বর ওয়ার্ড নোয়াখালী পাড়ার মোহাম্মদ মুবিনুল (২৫) ও মোহাম্মদ নূর (২০) নামে দু’জনকে তাদের বাড়ি থেকে অপহরণ করে। এরপর ৩১ জুলাই সকালে একই এলাকার মো. ইলিয়াছ (৩৮) ও সৈয়দ আহমদ(৬৫) নামে আরও দু’জনকে অস্ত্রের মুখে পাহাড় থেকে অপহরণ করে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা। এরপর মুক্তিপণ দাবি করে অপহৃত স্বজনদের কাছে থেকে।
বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক নুর মোহাম্মদ জানান, পাহাড়ে অপহৃতদের অবস্থানের খবরে র্যাব ও পুলিশের যৌথ একটি টিম বাহারছড়ার ইউনিয়ন নোয়াখালীয়া পাড়া গহীন পাহাড়ে ৮ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে অপহৃত ৪ ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় ফরিদ আহম্মদ (৩৮)নামে এক অপহরণকারীকেও আটক করা হয়।
কক্সবাজার র্যাব-১৫ এর উপ অধিনায়ক মেজর আরেফিন সিদ্দিকী জানান, রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপ কতৃর্ক টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালী পাড়ার থেকে ৪ জন স্থানীয় বাংলাদেশি নাগরিককে অপহরণ করে।
অপহরণের এই ঘটনাটি সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত হলে র্যাব-১৫ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়। এরপর সোমবার র্যাব-১৫ এর একটি আভিযানিক দল ও পুলিশের সহযোগিতায় টেকনাফের পাহাড়ে অভিযান চালায়।
অভিযানকালে পাহাড় থেকে অপহৃতদের উদ্ধার করা হয়। এসময় উক্ত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপের একজন সক্রিয় সদস্যকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তি নোয়াখালী পাড়ার স্থানীয় বাসিন্দা।
তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তিসহ এঘটনার সাথে যারা জড়িতদের বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হবে।












