১৬ মার্চ ২০২৬

নিজ হাতে মাটি কেটে ‘খাল খনন কর্মসূচি’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ সোমবার (১৬ মার্চ) দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়ায় কোদাল দিয়ে নিজ হাতে মাটি কেটে খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথম খালের খনন কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের ৫৪টি জেলায় একযোগে খাল খনন কর্মসূচি শুরু হলো।

প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে রওনা দেন। সৈয়দপুরে পৌঁছে সড়ক পথে কর্মসূচিস্থলে যান এবং নিজে কোদাল হাতে খাল খননে অংশ নেন। অনুষ্ঠানকে ঘিরে স্থানীয় মানুষদের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় খাল খনন কার্যক্রম শুরু হলেও আগামী পাঁচ বছরে দেশের প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল এবং জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। এর মাধ্যমে বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি ধরে রাখার পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজে সেচের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯৭৭ সালের খাল খনন কর্মসূচির অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এই উদ্যোগটি যদি টেকসই ও আধুনিকভাবে বাস্তবায়িত হয়, তবে দেশের কৃষিতে বিপ্লব ঘটানো সম্ভব। জিয়াউর রহমান স্থানীয় জনগণকে সরাসরি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করেছিলেন।

খাল খনন কর্মসূচি শুধু কৃষি নয়, বরং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সরকারী কর্মকর্তারা।

স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, খাল খননের ফলে তাদের পানির সমস্যা অনেকাংশে সমাধান হবে এবং ভবিষ্যতে সেচ ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুন