ঈদের কদিন আগে স্কুলে গরু এল। চারুলতা বিদ্যাপীঠের শিশুরা ছুটে গেল দেখতে— গলা জড়িয়ে ধরল, আদর করল, নাম দিল। এই গরু তাদের, এই গরু কোরবানি হবে তাদের জন্য, ঈদে সেই মাংস যাবে তাদের ঘরে। এটুকু জানাই যেন বদলে দিল ওদের ঈদের আনন্দ।
চট্টগ্রামের তুলাতলীর এই অবৈতনিক স্কুলের ১৮০ শিক্ষার্থীর বেশিরভাগের পরিবারে কোরবানির গরু কেনার সামর্থ্য নেই। সেই ভাবনা থেকেই চমেক ২১ ব্যাচ ও ডা. পারভেজ করিমের সহযোগিতায় এবার দুটি গরু কোরবানি দেওয়া হয়েছে— যাতে প্রতিটি পরিবার একটু বেশি মাংস পায়।
চারুলতার সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী বলেন, ‘গরু আসার পর বাচ্চাদের যে আনন্দ, সেটা দেখার মতো। ওরা জানে এই গরু ওদের জন্য। এই অনুভূতিটাই আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা।’
২০২০ সাল থেকে প্রতি কোরবানির ঈদে এই কার্যক্রম চালিয়ে আসছে চারুলতা। প্রতি ঈদুল ফিতরে শিক্ষার্থীদের নতুন কাপড়ও দেয় চমেক ২১ ব্যাচ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা ডা. ইমদাদ হোসেন, ডা. অভীক চৌধুরী, আব্দুল কাদের রবিন, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার রাজু চৌধুরী ও সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার লাবিবা ইসলাম সালসাবিল।














