বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবান্ধব শিক্ষা-ই জাতিকে উঁচুতে দাঁড় করাতে পারে মন্তব্য করে কক্সবাজার সদর আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল বলেছেন, বর্তমান বিশ্বে উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিনির্ভর চিন্তা-ই উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি। তরুণদের সৃজনশীলতা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আজকের খুদে বিজ্ঞানীরাই আগামীর সম্পদ। সরকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবান্ধব শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
রবিবার (১৪ জুন) সকালে ‘মেধা, বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’-এ প্রতিপাদ্যে জেলায় প্রথমবারের মত আয়োজিত, ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’র উদ্বোধনীতে এমপি কাজল এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি কাজল আরও বলেন, তরুণদের চমৎকার উদ্ভাবনী চিন্তা সবাইকে অভিভূত করে। তরুণদের এই মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তিই আগামীর উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার মূল হাতিয়ার। কিভাবে স্টার্টআপ করা যায়, সে বিষয়ে তরুণদের উৎসাহিত করেন এমপি কাজল। এ বিষয়ে তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা বলারও প্রতিশ্রুতি দেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) তাসনিম জাহানের সভাপতিত্বে আয়োজনে বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা শিক্ষা অফিসার মো. গোলাম মোস্তফা, অধ্যক্ষ লে. কর্নেল মো. আবদুর রহিম, অধ্যক্ষ ইব্রাহিম হোসেন, অধ্যক্ষ মো. সৈয়দ করিম, বিচারক ড. মো. আশরাফুল হক, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, সৌরভ চক্রবর্তী, জেলা আইসিটি কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান নাঈম প্রমুখ।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সহযোগিতায় শহরের বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমি স্কুল এন্ড কলেজ মিলনায়তনে উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এ বিজ্ঞান মেলা ও প্রতিযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত দল অংশ নেয়।
প্রতিযোগিতায় খুদে বিজ্ঞানী ও তরুণ উদ্যোক্তারা তাদের তৈরি বিভিন্ন ধরনের স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করেন-যা উপস্থিত সুধীজনের ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে।
মেলায় দিনব্যাপী প্রদর্শনী, আলোচনা সভা এবং অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মসূচি ছিল। মেলা শেষে সেরা স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া উপস্থাপনকারীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদপত্র বিতরণ করা হবে। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ তরুণদের মধ্যে গবেষণা, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা হওয়ার আগ্রহ আরও বৃদ্ধি করবে এবং দেশের টেকসই উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।














