প্রায় দুই বছর পর ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন পূর্ণকালীন ডেপুটি হাইকমিশনার পেতে যাচ্ছে। এ পদে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন অভিজ্ঞ কূটনীতিক চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান মোহাম্মদ খালেদ। একাধিক কূটনৈতিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বর্তমানে মোহাম্মদ খালেদ চীনের কুনমিংয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কনসাল জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। চলতি জুলাই মাসের শেষ দিকে তিনি কলকাতায় নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেন বলে সূত্রে জানিয়েছেন।
২০০৬ সালের ২১ আগস্ট সহকারী সচিব হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন মোহাম্মদ খালেদ। তিনি বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিসের ২৫তম ব্যাচের (বিসিএস ফরেন অ্যাফেয়ার্স ক্যাডার) কর্মকর্তা। দীর্ঘ কূটনৈতিক জীবনে দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
কুনমিংয়ে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে বাংলাদেশ দূতাবাস, পর্তুগালের লিসবন এবং গ্রিসের এথেন্সে বাংলাদেশ দূতাবাসে বিভিন্ন পদে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সার্ক, বিমসটেক ও এসিডি উইং, পশ্চিম এশিয়া উইং, মধ্য এশিয়া ও আফ্রিকা উইং এবং ইউরোপ উইংয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মিশনের দূতালয় প্রধান মোহাম্মদ আশরাফুল সিকদার।
চলতি বছরের জুন মাসে তার দায়িত্ব শেষ হলে তিনি দেশে ফিরে আসেন। এরপর থেকে প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) আয়েশা আক্তার ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এর আগে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের পূর্ণকালীন ডেপুটি হাইকমিশনার ছিলেন আন্দালিব ইলিয়াস। তাকে শ্রীলঙ্কায় বদলি করার পর দীর্ঘ সময় ধরে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমেই পরিচালিত হচ্ছিল কলকাতার বাংলাদেশ মিশনের কার্যক্রম।
নির্ভরযোগ্য তথ্য অনুযায়ী, নতুন ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ খালেদের জন্ম চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার বড়উঠান খতিবপাড়া। পিতার নাম মোহাম্মদ রফিক আহম্মেদ।
তিনি ১৯৭৯ সালের ১ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বন ও পরিবেশবিদ্যা ইনস্টিটিউট থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন।














