২৩ অক্টোবর ২০২৬

হাতকড়াসহ পালিয়ে ফের আটক

বোয়ালখালীতে আসামি ধরতে গিয়ে পুলিশসহ আহত ৫

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে তিন পুলিশ সদস্য, মামলার বাদীসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশের হাতকড়াসহ পালিয়ে গেলেও পরে ফের পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন আসামি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন (২৮)।

রোববার (৩০ আগস্ট) দিবাগত রাত ১১টার দিকে উপজেলার চরণদ্বীপ মসজিদ ঘাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মহিউদ্দিন উত্তর করলডেঙ্গা বাদশা বৈদ্যের বাড়ি এলাকার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে আবদুল মান্নান নামে এক ব্যক্তি সিআর মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

পরোয়ানাভুক্ত আসামি মহিউদ্দিনকে গ্রেপ্তারে রোববার রাতে অভিযান চালায় বোয়ালখালী থানা পুলিশ। অভিযানে মামলার বাদীও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় মহিউদ্দিনকে আটক করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে তার ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে পুলিশের হাতে থাকা হাতকড়াসহ পালিয়ে যান তিনি।

ধস্তাধস্তির ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য ও মামলার বাদীসহ পাঁচজন আহত হন। আহতরা হলেন—এসআই আবদুল হালিম (৪৮), এএসআই মাসুম বিল্লাহ (৩৫), কনস্টেবল হাসানুজ্জামান (৩২), মামলার বাদী আবদুল মান্নান (৫৫) এবং মোক্তার হোসেন (৪০)।

আহত তিন পুলিশ সদস্য রাত সাড়ে ১২টার দিকে বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. কৌশিক দাশ।

পুলিশ জানায়, পালিয়ে যাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে মহিউদ্দিনকে আবারও আটক করা হয়। এ ঘটনায় চরণদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের নিয়োজিত গ্রাম পুলিশ জেবল হোসাইন (২৩)-কেও আটক করেছে পুলিশ।

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে ধরতে গেলে সে পুলিশ সদস্যদের আঁচড় ও কামড় দেয়। এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

ওসি আরও বলেন, মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মহিউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় তার আত্মীয় গ্রাম পুলিশ জেবল হোসাইনকেও আটক করা হয়েছে। জেবল হোসাইন মূল মামলার আসামি নন। তবে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন