সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বাগেরহাটের কাটাখালীতে লংমার্চ ও সমাবেশ করছে ১১ দলীয় ঐক্য। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার ও সার সংকট নিরসনসহ বিভিন্ন দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করছেন জোটের নেতাকর্মীরা।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল থেকেই খুলনা-বরিশাল মহাসড়কের বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার কাটাখালী গোলচত্বর এলাকায় লংমার্চকে স্বাগত জানাতে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা দলে দলে জড়ো হতে শুরু করেন।
লংমার্চকে ঘিরে কাটাখালী এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক জনসমাগম। সড়কের দুই পাশে নারী-পুরুষসহ হাজারো মানুষ অবস্থান নিয়েছেন। অনেক নারী ও ছোট ছোট শিশুকে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে লংমার্চের বহরকে স্বাগত জানাতে দেখা গেছে। সকাল থেকেই বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে কাটাখালী গোলচত্বর ও আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।
লংমার্চ উপলক্ষে আয়োজিত পথসভায় বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের।
লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির বাগেরহাট জেলা আহ্বায়ক শেখ আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, আমাদের এই লংমার্চ কোনো ক্ষমতা দখলের লড়াই নয়, এটি জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়ের আন্দোলন। খুলনা ও দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দুঃখ-দুর্দশা, আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং সার্বিক জাতীয় স্বার্থকে কেন্দ্র করে এই কর্মসূচি সাজানো হয়েছে। লংমার্চের মাধ্যমে দেশের আপামর জনসাধারণের কণ্ঠস্বর আরও শক্তিশালী করতে চাই।
তিনি আরও বলেন, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া প্রমাণ করে এই লংমার্চ সময়ের দাবি। কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনসহ সবার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
পথসভায় উপস্থিত রয়েছেন বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা মাওলানা মশিউর রহমান, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা শেখ মনজুরুল হক রাহাত, এনসিপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোর্শেদ আনোয়ার সোহেল, জামায়াত নেতা ইকবাল হোসেন, অ্যাডভোকেট মোস্তাকিন বিল্লাহ, মাওলানা রুহুল আমিন খান এবং জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আহমেদ আব্দুল্লাহসহ ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
বাগেরহাটের কাটাখালীতে পথসভা শেষে লংমার্চটি খুলনার উদ্দেশে যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে খুলনার শিববাড়ী বাবরী এলাকায় জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।













