কক্সবাজারের উখিয়ায় সশস্ত্র সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা অর্গানাইজেশনের (এআরও) সক্রিয় সদস্য সন্দেহে নূর মোহাম্মদ (৪২) নামের এক রোহিঙ্গাকে গ্রেপ্তার করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। একই দিন কক্সবাজার বিমানবন্দর এলাকা থেকে সন্দেহজনক চলাফেরার অভিযোগে সামসুল আলম ওরফে সামসু নামের আরও এক রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে।
রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উখিয়ার ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের শফিউল্লাহকাটা এলাকা থেকে নূর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই আশ্রয়শিবিরের ডি/০৭ ব্লকের বাসিন্দা।
৮ এপিবিএন সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ নভেম্বর নারীঘটিত একটি অভিযোগকে কেন্দ্র করে নূর মোহাম্মদকে অপহরণ করে জামতলী আশ্রয়শিবিরে নিয়ে যাওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদের নির্দেশনায় পুলিশ পরিদর্শক তফসীর উদ্দিনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নূর মোহাম্মদ নিজেকে এআরওর সক্রিয় সদস্য বলে পরিচয় দিয়েছেন। একই সঙ্গে আগে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথাও স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে ৮ এপিবিএন। তাঁর বিরুদ্ধে আশ্রয়শিবির এলাকায় একাধিক নারীঘটিত অভিযোগ রয়েছে বলেও জানানো হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নূর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে দুটি মামলা রয়েছে। ২০২২ সালের ২১ মার্চ ও ২৫ সেপ্টেম্বর দায়ের করা মামলা দুটি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।
অন্যদিকে, একই দিন সকাল ১১টার দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দর এলাকায় সন্দেহজনকভাবে চলাফেরার অভিযোগে সামসুল আলম ওরফে সামসুকে আটক করা হয়। তিনি উখিয়ার ১ নম্বর পূর্ব রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের ই ব্লকের বাসিন্দা। পরে তাঁর পরিচয় ও এফসিএন নম্বর যাচাই শেষে বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাঁকে ১৪ এপিবিএনের লম্বাশিয়া ক্যাম্পের ইনচার্জের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
৮ এপিবিএনের অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমদ বলেন, নূর মোহাম্মদকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।













