বাংলাধারা প্রতিবেদন »
করোনা প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা প্রতিপালন, বাজার মনিটরিং, নদীর ঘাট/জেটিতে সীমিত চলাচল, স্বপ্রণোদিত লকডাউনের আড়ালে অননুমোদিত দোকান বন্ধ রাখা, আড্ডা বন্ধ, বাড়ির নির্মান কাজ বন্ধ, টিসিবি পণ্য বিক্রি মনিটরিং ও ক্রেতাদের নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতকরণ ইত্যাদির মাধ্যমে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে মাঠে রয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ১০ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ১০ টি টিম।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) পর্যন্ত ভ্রাম্যমান আদালতের পরিচালিত অভিযানে ৫০ টি মামলায় ১ লাখ ১৭ হাজার ৮৫০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হাসান।
তিনি জানান, “অভিযানকালে দেখা যায় দক্ষিণ হালিশহর, সিমেন্ট ক্রসিং এলাকায় শাহেন শাহ এন্টারপ্রাইজ ও এম জে ট্রেডিং নামক রড, সিমেন্ট, ইট বালুর দোকান খোলা আছে। দোকানের ক্যাশ বই যাচাই করে দেখা যায় সরকারী আদেশ অমান্য করে প্রথম থেকেই তারা দোকান বন্ধ না রেখে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এসকল দোকান খোলা থাকায় এখান থেকে নির্মাণ সামগ্রী নিয়ে অনেক স্থানে নির্মাণ কাজ চলমান আছে। উভয় দোকানের মালিক তাদের অপরাধ স্বীকার করায় শাহেন শাহ এন্টারপ্রাইজ কে ৫০ হাজার টাকা এবং এম জি ট্রেডিং কে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।”
অপরদিকে সদরঘাট, কোতোয়ালী, ডবলমুরিং এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজা জেরিন ।
তিনি জানান, “অভিযানকালে মাস্ক এবং গ্লাভস না পড়ার জন্য ৭টি মামলায় ৩ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা করা হয়। সাথে সচেতনামূলক প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত ছিল।”
বাংলাধারা/এফএস/টিএম













