বিনোদন ডেস্ক »
এড়াতে চাইলেও পারলেন না। সুশান্ত সিং রাজপুতের টাকা তছরুপে অভিযুক্ত রিয়া চক্রবর্তীকে শুক্রবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-র দফতরে বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে জেরা করা হয়।
শুক্রবার বিকালে ভাই শৌভিক চক্রবর্তীর সঙ্গে ব্যালার্ড এস্টেটে ইডি-র দফতরে এসে পৌঁছান রিয়া। তার বিজনেস ম্যানেজার শ্রুতি মোদীকেও তলব করেছিল ইডি। তিনি আসেন আর একটু পরে। তবে কিছুক্ষণ পরেই ইডি-র দফতর থেকে বেরিয়ে যান শৌভিক। ফলে অনুমান করা হচ্ছে, তাকে আজ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি।
পটনায় করা সুশান্তের বাবা কে কে সিং পাটনা থাকায় রিয়ার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন। যেখানে উল্লেখ ছিলো সুশান্তের টাকা তছরুপ করেছিলেন রিয়া। ইডি তদন্ত শুরু করে পটনায় করা মামলার ভিত্তিতেই।
শনিবার তলব করা হয়েছে সুশান্তের বন্ধু ও রুমমেট সিদ্ধার্থ পিঠানিকে। ১৪ জুন যখন সুশান্ত আত্মঘাতী হন, তখন সেই ফ্ল্যাটেরই অন্য ঘরে তিনি ছিলেন বলে মুম্বাই পুলিশকে জানিয়েছিলেন সিদ্ধার্থ।
সুশান্তের বাবার করা এফআইআরে অবশ্য সিদ্ধার্থের নামে কোনো অভিযোগ জানানো হয়নি। সিদ্ধার্থ অবশ্য এখন মুম্বাইয়ে নেই। আজ তিনি ইডি-র দফতরে আসতে পারবেন কি না, তা-ও জানা যায়নি।
টাকা পাচার রোধ আইনের আওতায় রিয়া ও শ্রুতির বয়ান নথিভুক্ত করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রে জানা যায় খবর। রিয়ার উপার্জন, বিভিন্ন ব্যবসায়িক লেনদেন, বিভিন্ন ব্যাংকে তার জমানো টাকা, এই সব নিয়ে তাকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে প্রশ্ন করেন ইডি-র অফিসারেরা।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম/এএ













