রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সাব-কন্ট্রাক্ট ইস্যু ও অনুমোদনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিধি-বিধান কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্দেশনার আলোকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গত ৪ আগস্ট কমিশনার অব কাস্টমস (বন্ড), চট্টগ্রাম কার্যালয় থেকে জারি করা আদেশে বলা হয়েছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এসআরও নং ২১৩-আইন/২০২৪/৬৫/কাস্টমস, (তারিখ ২৯ মে ২০২৪) অনুযায়ী সাব-কন্ট্রাক্ট ইস্যু ও অনুমোদনের বিধান যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, দেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ দীর্ঘদিন ধরে ইউটিলাইজেশন ডিক্লারেশন (ইউডি) সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী বর্তমানে ডোমেস্টিকস ট্যাক্স এরিয়া (ডিটিএ)-ভুক্ত প্রতিষ্ঠানের সাব-কন্ট্রাক্ট ইস্যু ও অনুমোদনের দায়িত্বও এসব সংগঠনকে দেওয়া হয়েছে।
তবে সম্প্রতি কমিশনারেটের নজরে এসেছে, কিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অবৈধ অপসারণের দাবিনামা বা মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও এবং জেনারেল বন্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরও সাব-কন্ট্রাক্ট ইস্যুর অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রার পরিবর্তে স্থানীয় ঋণপত্রের বিপরীতেও সাব-কন্ট্রাক্ট ইস্যুর তথ্য পাওয়া গেছে, যা প্রচলিত বিধির পরিপন্থী।
এ পরিস্থিতিতে কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিম্নোক্ত নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে, যেমন, অবৈধ অপসারণের দাবিনামা বা মামলা চলমান রয়েছে- এমন প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে সাব-কন্ট্রাক্ট ইস্যু করা যাবে না। জেনারেল বন্ডের মেয়াদোত্তীর্ণ প্রতিষ্ঠানের সাব-কন্ট্রাক্ট অনুমোদন করা যাবে না। এবং বৈদেশিক মুদ্রার পরিবর্তে স্থানীয় ঋণপত্রের বিপরীতে কোনো সাব-কন্ট্রাক্ট ইস্যু করা যাবে না।
কাস্টমস কর্তৃপক্ষের মতে, এসব নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হলে বন্ড সুবিধার অপব্যবহার রোধ হবে, রপ্তানি খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে এবং জাতীয় রাজস্ব সুরক্ষিত থাকবে।
চট্টগ্রাম কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান, সংগঠন ও অংশীজনকে প্রচলিত আইন ও বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করে সাব-কন্ট্রাক্ট কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।














