কক্সবাজারের হিমছড়িতে রাতের আঁধারে একের পর এক দোকান ও প্রতিষ্ঠানে ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে। সশস্ত্র একটি দল নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মুঠোফোন লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এ সময় ডাকাত সন্দেহে সুলতান মোহাম্মদ (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে মারধর করেন স্থানীয় লোকজন। আহত অবস্থায় তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর সঙ্গে থাকা অন্য ব্যক্তিরা পালিয়ে গেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি হিমছড়ি এলাকায় কয়েকটি দোকান ও প্রতিষ্ঠানে হানা দেন। এ সময় তাঁরা বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালান। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন একত্র হয়ে তাঁদের ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে সুলতান মোহাম্মদকে আটক করা সম্ভব হলেও অন্যরা পালিয়ে যান। পরে ক্ষুব্ধ স্থানীয় লোকজন তাঁকে মারধর করেন।
আটক সুলতান মোহাম্মদ কক্সবাজার সদর উপজেলার লিংক রোড কলেজ গেট এলাকার সুরত আলম লিডার পাড়ার বাসিন্দা। তাঁর বাবা মিয়া হোসেন ও মা নুর জাহান।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, ডাকাতির ঘটনায় জালাল আহমেদের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা, রহিম মোল্লার কাছ থেকে সাত আনা স্বর্ণালংকার ও একটি মুঠোফোন এবং দেলোয়ার হোসেনের কাছ থেকে ৩২ হাজার টাকা, একটি মুঠোফোন ও ছয় আনা স্বর্ণালংকার লুট করা হয়েছে।
এ ছাড়া ফকির আহমেদের কাছ থেকে দুই হাজার টাকা ও একটি মুঠোফোন, হাসিম মোল্লার কাছ থেকে ৯৮ হাজার টাকা ও একটি মুঠোফোন এবং রাবানীয়া জামে মসজিদের তহবিল থেকে ১২ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আবুল হাসেমের দোকান থেকেও বিভিন্ন মালামাল, চার আনা স্বর্ণালংকার ও ২৪ হাজার টাকা লুট করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।
এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম ফজলুল হক বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় জনতা ডাকাত সন্দেহে এক ব্যক্তিকে মারধর করেছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।













