২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২৫টি সংস্থারই হালনাগাদ লাইসেন্স ও ছাড়পত্র রয়েছে, দাবি বিএম ডিপো কর্তৃপক্ষের

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে ২৫টি সংস্থারই হালনাগাদ লাইসেন্স ও ছাড়পত্র রয়েছে বলে দাবি করেছেন স্মার্ট গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক মেজর (অব.) শামসুল হায়দার সিদ্দিকী ও ডিপোর মহাব্যবস্থাপক মাইনুল আহসান।

বৃহস্পতিবার (৭ ‍জুলাই) বিকেলে নগরের লালখান বাজারের একটি রেস্টুরেন্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তারা এ দাবি করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএম ডিপোর পরিচালক শফিকুর রহমান, ইয়াসিন মজুমদারসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শামসুল হায়দার সিদ্দিকী বলেন, শতাধিক রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান বিএম ডিপোর কাছে ক্ষতিপূরণ চেয়েছে। ওই ঘটনায় আমাদের হাজার কোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।

তিনি বলেন, ২০১০ সালে বিএম ডিপো প্রতিষ্ঠার সময় ২৫টি সংস্থারই লাইসেন্স ও ছাড়পত্র নিয়ে এর কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানেও সব প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ও ছাড়পত্র হালনাগাদ রয়েছে। সব ধরনের লাইসেন্স ও ছাড়পত্রের কপি সরকারি সব তদন্ত কমিটিকে দেওয়া হয়েছে।

ডিপোর মহাব্যবস্থাপক মাইনুল আহসান বলেন, ইতোমধ্যে নিহত ২৬ ও আহত ৪৩ জনের পরিবারকে ৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার পর প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬০০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে মে ও জুন মাসের বেতন ও কোরবানির বোনাস দেওয়া হয়েছে। নিহত আহতদের বাড়িতে, বাসায় বেতন ভাতা ও বোনাসের টাকা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

উপস্থিত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শামসুল হায়দার সিদ্দিকী বলেন, এখনও কোনো সরকারি সংস্থার তদন্ত রিপোর্ট আমাদের হাতে আসেনি। তদন্ত রিপোর্ট ও পরামর্শ-সুপারিশ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ