মাকসুদ আহম্মদ,বিশেষ প্রতিবেদক»
সারাদিন সিয়াম সাধনার পর কে না চায় মুখরোচক ইফতার খেতে। কিন্তু সাধ্যের বাইরে হলে মেন্যু থেকে বাদ দিতে হয় অনেক কিছু। তবে চট্টগ্রামে ঘোষিত কোন ইফতার বাজার নেই। ভোজন রসিকদের চাহিদা মেটাতে একটা ইফতার বাজার খুবই প্রয়োজন। কেউ উদ্যোগ নিচ্ছে না তাই ইফতার বাজারও গড়ে উঠছে না। ভোজনরসিকরা আশাবাদি অচিরেই চট্টগ্রামে ঢাকার ন্যয় একটি জম্পেশ ইফতার বাজার গড়ে উঠবে এমন প্রত্যাশা। চট্টগ্রামে প্রতিদিন গড়ে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ইফতার বিক্রি হয়।

করোনা শঙ্কা কেটে যাওয়ার পর ইফতারের পসরা সাজানো হয়েছে বিভিন্ন হোটেল, মোটেল ও রেস্তোরার সম্মুখভাগে। বিকেল হওয়ার দেরি। যে যার মতোই চুটছে ইফতার কালেকশনে। বিশেষ করে বাবারা ছুটছেন চাকরী ও ব্যবসা শেষে মুখরোচক ইফতার কালেকশনে। তবে নগরীর বাণিজ্যপাড়া খ্যাত আগ্রাবাদ আর খাতুনগঞ্জ এলাকা। কিন্তু দুটো এলাকা যদিও বাণিজ্য পাড়া কেউ কাগজে কলমে আবার কেউবা পণ্যের মজুদ নিয়ে।

নগর ঘুরে দেখা গেছে, ইফতারের মেন্যুতে রয়েছে জ্বিভে জল আসার মতোই নানা আইটেম। ৫০০ টাকা কেজিতে চিকেন হালিম, ৭০০ টাকায় মাটন হালিম ও বিফ হালিম এবার নতুন করে বেরিয়েছে নলার হালিম তাও আবার কেজি ৬০০ টাকায়। ছাড়াও রয়েছে মেজবানি মাংস ও আলু গোস এবং চনার ডালে গরুর মাংস। এসব হালিমের মধ্যে আনকমন হচ্ছে নলার হালিম। এছাড়া রয়েছে গরুর মাংস নির্ভরশীল বীফ জালি কাবাব, ১১০ টাকায় চিকেন চাপ, ১০০ টাকায় চিকেন টিক্কা, ২০ টাকায় ডিম চপ, ২০ টাকায় ভেজিটেবল রোল, ৩০ টাকায় চিকেন রোল,

আগ্রাবাদে হোটেল মোটেল ও রেস্টুরেন্টের অভাব নেই। নামিদামী আর নজরকাড়া রেস্টেুরেন্টের জন্য আগ্রবাদ এলাকায় ইফতারের কোন আইটেমের অভাব নেই। এরমধ্যে রয়েছে, এম্ব্রোশিয়া রেস্টুরেন্ট, কড়াই, সিলভার স্পুন, সাংরিলা, সারাহ, সেজান, কপার চিমনি সহ নানা রেস্টুরেন্ট।

চট্টগ্রাম এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের আশপাশ এলাকায় রয়েছে, রেড চিলি, লাইক, ঝালমুড়ি, রোদেলা বিকেল, রয়েল হাটসহ বেশকিছু রেস্টেুরেন্টে ইফতারের পসরা সাজানো হয়েছে। জিইসি মোড় এলাকায় রয়েছে, ওয়েল ফুড, সিজল, নিরিবিলি, ক্যান্ডি, হান্ডিসহ বেশকিছু রেস্টেুরেন্টের সম্মুখভাগে রকমারি ইফতারের পসরা দেখে জ্বিভে জল এসে যায়। চকবাজার এলাকায় রয়েছে সিজলসহ বেশকিচু ছোট বড় খাবারের শোরুম। লালখান বাজার এলাকায় রয়েছে, হাইওয়ে সুইটস , একেখান মোড় এলাকায় রয়েছে, কুটুম্ব বাড়ি, আয়োজন, নিমন্ত্রনসহ বেশকিছু ২৪ ঘন্টার হোটেল। অলংকার মোড়ে আলিফ হোটেল, সাইমন হোটেল, কৈবল্যাধাম এলাকায় নবাববাড়ী রেস্টুরেন্ট ইফতারের বিভিন্ন আইটেম নিয়ে পসরা সাজিয়েছে্ষোন

লশহর ২নং গেট এলাকায় রয়েছে, স্বাধীনতা স্কোয়ার, জমজম সুইটসসহ চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স গ্রাউন্ডে থাকা বেশকিছু ফুডকোট ইফতার বিক্রি করছে। এছাড়া নগরীর দুইশতাধিক মার্কেটে রয়েছে খাবারের দোকান বা স্টল। ইফতারের সময় হয়ে এলেই মার্কেটে আগত ক্রেতা সাধারণ হুমড়ি খেয়ে পড়েন ইফতারের জন্য। এ সুযোগটাকে কাজে লাগায় খাবারের দোকানীরা। চুটিয়ে ব্যবসা চালায় এই স্বল্প সময়ে।
নগরীর বিলাসবহুল এলাকা হিসেবে খ্যাত খুলশী উত্তর ও দক্ষিন। এর আশ পাশেই রয়েছে তাভা কাবাব হাউস, ফ্লেভারস, টেস্টইন, খুলশী মার্ট, খুলশী টাউন সেন্টারের ফুডকোট, বাস্কেটসহ বিভিন্ন স্থানে ইফতারের পসরা সাজানো হয়েছে রমজান ঘিরে।













