২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আগস্টে শাহ আমানতে চালু হচ্ছে ই-গেট কার্যক্রম

বাংলাধারা প্রতিবেদক »

ঢাকার পর দ্বিতীয়বারের মতো ই-গেট কার্যক্রম চালু হচ্ছে চট্টগ্রামে অবস্থিত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে। ইতোমধ্যে বন্দরটিতে ছয়টি ই-গেট স্থাপন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী আগস্ট মাসেই পুরোদমে ই-গেট কার্যক্রম চালু হতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, এখন শুধু সার্ভার সংযোজনসহ কিছু টেকনিক্যাল কার্যক্রমই বাকি আছে। ঈদের পরপরই এসবের কাজ শুরু করা হবে।

ই-পাসপোর্টের একটি বিশেষ সুবিধা হচ্ছে ই-গেটের মাধ্যমে কম সময়ে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে পারবে। ফলে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মতো এ বিমানবন্দরেও সময় সাশ্রয়ী হবে এবং ভোগান্তি কমে আসবে। ই-গেট চালু হওয়ার পর ইমিগ্রেশন পুলিশ ই-গেট পরিচালনায় কাজ করবেন।

যেভাবে কাজ করে ই-গেট

ই-গেটের সামনে গিয়ে প্রথমেই ই-পাসপোর্টের ছবি সম্বলিত স্মার্ট কার্ডের পৃষ্ঠাটি স্ক্যান করা হয়। সেখানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে সব তথ্য যাচাই করা হবে। সব তথ্য সঠিক পেলে ই-গেট খুলে যায়। এরপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেসিয়াল রিকগনিশনের মাধ্যমে পাসপোর্টের ছবির সঙ্গে মুখমণ্ডল (ফেস) মেলানো হয়। যদি মিলে তাহলে দ্বিতীয় গেটও খুলে যাবে। এভাবেই ইমিগ্রেশন শেষ হয়। কোনো কারণে ই-পাসপোর্টের ছবির সাথে বর্তমান মুখমণ্ডলের (ফেস) চেহারা না মিললে ই-গেট ব্যবহার করা যাবে না।

এর আগে গত ৩০ জুন ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ই-গেট কার্যক্রম চালু হয়। ই-পাসপোর্ট নিয়ে বিমানবন্দরে ই-গেটে পাসপোর্ট দেওয়ার পরই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে খুলে যাবে গেট। তারপর পাসপোর্টের তথ্যের সাথে ব্যক্তির ছবি মিলে গেলেই প্রধান ফটক খুলে যাওয়ার সাথে সাথে মাত্র ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই শেষ হবে বিদেশগামীদের ইমিগ্রেশন কার্যক্রম।
বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এর তত্ত্বাবধানে ই-গেটের পুরো প্রকল্পের প্রযুক্তিগত বাস্তবায়ন করেছে একটি জার্মান প্রতিষ্ঠান।

বাংলাধারা/এসআরটি

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ