২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

র‌্যাবের অভিযানে ধর্ষণ মামলার ২ আসামি গ্রেফতার

বাংলাধারা প্রতিবেদক »

নগরীতে পাহাড়তলী ও আকবর শাহ এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭।

রোববার (৯ অক্টোবর) নগরীর পাহাড়তলী থানার এ কে খান বাস স্ট্যান্ড এলাকা থেকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার আসামি কামরুল ইসলাম হৃদয়কে (২৩) এবং আকবর শাহ্ থানার শান্তি নগর এলাকা থেকে ধর্ষণ, অস্ত্র ও অন্যান্য মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মো. রাসেল ওরফে পিচ্চি রাসেলকে (৩৫) গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলো— পটিয়া থানার চরকানাই এলাকার মৃত আবুল কালামের ছেলে কামরুল ইসলাম হৃদয় এবং অপরজন আকবর শাহ্ থানার বিশ্ব কলোনী এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে মো. রাসেল।

বিষয়টি নিশ্চিত করে র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. নূরুল আবছার জানান, নগরীর পাহাড়তলী এবং আকবর শাহ এলাকায় আলাদা দু’টি অভিযান চালিয়ে ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় ২ পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭।

তিনি জানান, গত ১৫ আগস্ট আসামি মো. কামরুল ইসলাম হৃদয় ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে অপহরণ করে। পরে আসামি কামরুল ইসলাম হৃদয় ভিকটিমকে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে তার জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে চট্টগ্রাম নগরীর আকবর শাহ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন এবং বিষয়টি র‌্যাব’কে অবহিত করা হয়।

তিনি আরও জানান, এরই ধারাবাহিকতায় গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার আসামি কামরুল ইসলাম হৃদয়কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার আসামি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়— সে ভিকটিমকে অপহরণ করে ধর্ষণ করেছিল এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতার এড়াতে বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপন করেছিল বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে, গত ১৯ আগস্ট আসামি মো. রাসেলসহ আরও ২ দুষ্কৃতিকারী এক গার্মেন্টস কর্মীকে মারধর করে এবং ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে চট্টগ্রাম মহনগরীর আকবর শাহ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে আসামিকে র‌্যাব গ্রেফতার করে। আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এ মামলার ঘটনার সাথে সে সরাসরি জড়িত বলে স্বীকার করে।

উল্লেখ্য, সিডিএমএস পর্যালোচনা করে গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম নগরীর আকবর শাহ থানায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা পাওয়া যায়।

গ্রেফতার আসামিদের পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।

বাংলাধারা/এসআরটি

আরও পড়ুন