১০ মার্চ ২০২৬

অন্তঃদ্বন্দ্ব নয়, ধারাবাহিক রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের শিকার জানে আলম – রাউজান বিএনপি

রাউজানে যুবদল নেতা জানে আলম সিকদার অন্তঃদ্বন্দ্ব নয়, ধারাবাহিক রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে বিবৃতি প্রদান করেছে রাউজান বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।

এক যুক্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন,

রাউজানে ৫ আগস্ট পূর্ববর্তী টানা ১৭ বছর যাবৎ যে ব্যক্তির ছত্রছায়ায় একটি গোষ্ঠী (যারা নিজেদের বিএনপি দাবিদার করে) আওয়ামী লীগের আশীর্বাদে সকল বৈষয়িক সুবিধা প্রাপ্ত হয়ে নিরাপদ জীবনযাপন করেছিল, যারা সে দুর্বিষহ সময় প্রকৃত বিএনপির নেতা-কর্মী-সমর্থক (ছাত্রদল নেতা নুরুল আলম নুরু, হেজা হাশেম, মুসা…) আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দ্বারা হত্যাকাণ্ডের শিকার হলে বিবৃতি তো দূরে থাক, উল্টো আওয়ামীদের সাথে একাত্মতা পোষণ করে উল্লাস প্রকাশ করত, তারাই আজ রাউজান বিএনপির অভিভাবক, সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিশ্বস্ত হাতিয়ার যুবদল নেতা জানে আলম সিকদারের নির্মম হত্যাকাণ্ডকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য
“অন্তঃদ্বন্দ্ব” শব্দ ব্যবহার করে অসত্য, বানোয়াট ও “ঠাকুরমার ঝুলি” মার্কা বিবৃতি প্রদান করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ও আগামীর রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক রহমানের আদর্শকে ভুলুণ্ঠিত করার অপপ্রয়াসে মেতে উঠেছে।

৫ আগস্ট পরবর্তী রাউজানে আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী ঐ গোষ্ঠীর পালের গোদা ও তার ছেলে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্য পদকে ব্যবহার করে রাউজানের ত্যাগী, নির্যাতিত, প্রকৃত ও সাচ্চা বিএনপির নেতা-কর্মী-সমর্থকদের একের পর এক হত্যার পাশাপাশি মিথ্যা মামলা ও অভিযোগে অস্ত্র দিয়ে গ্রেপ্তার করিয়েছে। চট্টগ্রামের সর্বত্রই আওয়ামী দালালির জন্য প্রত্যাখ্যাত ঐ মহলটির নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তি মীরসরাই উপজেলায় চাঁদাবাজি করতে গিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীসহ ছাত্র-জনতার হাতে অবরুদ্ধ হয়ে লাঞ্ছিত হয়ে পালিয়ে এসেছিল।

৫ আগস্ট পরবর্তী রাউজানে সংগঠিত ১৮টি হত্যাকাণ্ডের মধ্যে আওয়ামী লীগের “বি” টিম খ্যাত এই গোষ্ঠীর হাতে এখন পর্যন্ত ১২ জন প্রকৃত বিএনপির নেতা-কর্মী-সমর্থক হত্যার শিকার হয়েছে। বাকি ৬ জন পারিবারিক এবং সামাজিক সহিংসতার শিকার। হত্যাকাণ্ডের শিকার ঐ ১২ জনই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ লালনকারী ও গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী। রাউজানে শান্তির পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্য পদে থাকা ঐ ব্যক্তির ছেলেকে পদ থেকে দ্রুত অপসারণের পাশাপাশি ওই ব্যক্তি এবং জানে আলম হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সমগ্র বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী জনগণ এবং সচেতন মহলের জিজ্ঞাসা—
“রাউজানে আর কত মায়ের বুক খালি করলে আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী ঐ মহলটি শান্ত হবে?”

বিবৃতিদাতারা হলেন:
রাউজান উপজেলা বিএনপি নেতা ও নোয়াজিশপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল হুদা, ফিরোজ মেম্বার, হাবিবুর রহমান, আলম, বশর, উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি সাবের সুলতান কাজল, রাউজান উপজেলা যুবদলের সভাপতি এম. শাহাজান সাহিল, যুবদল নেতা ছোটন আজম, উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইউসুফ তালুকদার, ইকরাম, আলম, আইয়ুব, ছাত্রদল নেতা তসলিম উদ্দিন ইমন, রাসেল খান, নিজামুদ্দিন চৌধুরী, লিমন চৌধুরী বাপ্পা, সুমন দাস, প্রণব চৌধুরী, বাসু।

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ