চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দিন বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামকে ঘিরে একটি ব্যাপক ও সুপরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। এই পরিকল্পনার আওতায় কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়কেও ধীরে ধীরে আধুনিক শহরে রূপান্তর করা হবে।
চট্টগ্রাম শহর মূলত কর্ণফুলী নদীকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে। কিন্তু নদীর দুই পাড়ের মধ্যে আজও বিস্তর বৈষম্য রয়ে গেছে। কর্ণফুলীর এক পাড়ে উন্নত নগর জীবন, অন্য পাড়ে এখনও গ্রামীণ অবকাঠামো। রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতালসহ সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধায় স্পষ্ট পার্থক্য চোখে পড়ে।
শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে কর্ণফুলী উপজেলার স্থানীয় ফয়জুল বারী মাদ্রাসা সংলগ্ন মাঠে কর্ণফুলী উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা, ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
লায়ন হেলাল উদ্দিন বলেন, রাজনীতি, নির্বাচন ও মতপার্থক্য থাকবেই—এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। কিন্তু মতভিন্নতা যেন কখনো সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট না করে। রাষ্ট্রের স্বার্থে, উন্নয়নের স্বার্থে এবং দেশকে এগিয়ে নেওয়ার স্বার্থে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এই এলাকার মানুষ অতীতেও বারবার সেই ঐক্যের প্রমাণ দিয়েছে।
বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি আরও মজবুত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, সামনে যে কর্মসূচিগুলো আসবে, সেগুলো সবাইকে সঙ্গে নিয়ে বাস্তবায়ন করা হবে।
এসময় দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এস এম ফারুক হোসাইনের সভাপতিত্বে এবং কর্ণফুলী উপজেলা ছাত্রদল নেতা শাখাওয়াত হোসেন মিশুর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সরোয়ার হোসেন মাসুদ, এম মনছুর উদ্দিন, বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন, জাহাঙ্গীর আলম, মো. রিপন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক গাজী ফোরকান, মোজাম্মেল হক, হারুনুর রশিদ, উপজেলা যুবদল নেতা মো. মিজান, আতাউল্লাহ, সাঈদুল আউয়াল, শ্রমিক দল নেতা ইলিয়াছ, বাবুল, মাহবুব আলী, জেলা ছাত্রদল নেতা ইসমাইল বিন মনির, মোফাচ্ছল হোসেন জুয়েলসহ প্রমুখ।












