চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি এস এম ছালেহ (৬২)-কে বাকলিয়া থানার একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে সোমবার বিকেলে নগরীর দিদার মার্কেট এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
গ্রেপ্তার এস এম ছালেহ কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জামালপাড়া এলাকার মৃত আহম্মেদ হোসেনের ছেলে। তিনি একসময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির দায়িত্বে থাকলেও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে পরে তাকে বহিষ্কার করা হয়।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নতুন ব্রিজ এলাকায় চলমান আন্দোলনের সময় নুরুল আমিন ওরফে নুরুল আজিম (১৭) নামে এক কিশোরের ওপর ইট-পাথর নিক্ষেপ করা হয়। এতে গুরুতর আহত হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই মুসলিম উদ্দিন (২৮) বাদী হয়ে ২৫০ থেকে ৩০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে বাকলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস এম ছালেহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
তবে গ্রেপ্তার বিষয়ে ভিন্ন দাবি করেছে ছালেহর পরিবার। তাদের অভিযোগ, সিএমপি ডিবি দক্ষিণ জোনের একটি দল একদিন আগে তাকে নগরী থেকে আটক করে এবং দীর্ঘ ১২–১৩ ঘণ্টা মনসুরাবাদ ডিবি কার্যালয়ে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
পরিবারের দাবি, এ মামলার সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। এ বিষয়ে ডিবি দক্ষিণ জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান প্রাং-এর সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করেও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।












