২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা ঘিরে সকাল থেকেই টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। এসআইআর ইস্যু থেকে শুরু করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী-র মুখোমুখি লড়াই সব মিলিয়ে রাজ্যজুড়ে তৈরি হয়েছে হাড্ডাহাড্ডি পরিস্থিতি।
ভবানীপুর থেকে নন্দীগ্রাম প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রেই চলছে কাঁটায় কাঁটায় টক্কর। তবে এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত ট্রেন্ড বলছে, এগিয়ে রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। সর্বশেষ হিসেবে বিজেপি ১৯৬ আসনে এগিয়ে, আর তৃণমূল কংগ্রেস (তৃণমূল) এগিয়ে রয়েছে ৯৩ আসনে। এছাড়া ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এবং কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্ক্সবাদী) একটি করে আসনে এগিয়ে আছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন দুই আসন।
এই চিত্র অনুযায়ী আপাতত সরকার গঠনের দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে বিজেপি। তবে চূড়ান্ত ফল জানতে অপেক্ষা করতে হবে পুরো গণনা শেষ হওয়া পর্যন্ত।
সকাল ৮টা থেকে পোস্টাল ব্যালট গণনা শুরু হতেই বিভিন্ন কেন্দ্রে বিজেপির একাধিক পরিচিত মুখ এগিয়ে যেতে শুরু করেন। শিবপুর, বরানগর, রাসবিহারী, শ্যামপুর ও শ্যামপুকুরসহ বেশ কিছু কেন্দ্রে তাদের প্রার্থীরা লিড ধরে রেখেছেন।
পাণ্ডবেশ্বর, আসানসোল দক্ষিণ, ময়না, নোয়াপাড়া ও শিলিগুড়িতেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে এখানেও এগিয়ে বিজেপি প্রার্থীরা।
অন্যদিকে, শাসকদল তৃণমূলের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে একাধিক মন্ত্রীর পিছিয়ে পড়া। দলের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা বর্তমানে বিজেপি প্রার্থীদের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছেন।
ভবানীপুর কেন্দ্রেও লড়াই জমে উঠেছে। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ২৪ হাজার ভোটে এগিয়ে থাকলেও, পরবর্তী রাউন্ডে সেই ব্যবধান কমে ১২ হাজারের নিচে নেমে এসেছে। ফলে শুভেন্দু অধিকারী ধীরে ধীরে ব্যবধান কমিয়ে আনছেন।
তবে এখনও বহু রাউন্ডের গণনা বাকি। তাই এখনই চূড়ান্ত কিছু বলার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে সব রাজনৈতিক দল। আপাতত সবার নজর শেষ ফলাফলের দিকেই।












