২৪ অক্টোবর ২০২৬

‌‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলার সদর দক্ষিণে নয়— মাঝামাঝি স্থানে চায় এলাকাবাসী

চট্টগ্রামের বৃহৎ উপজেলা ফটিকছড়ির উত্তরাংশকে নতুন উপজেলা হিসেবে অনুমোদন দেওয়ায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেও সীমানা নির্ধারণ ও সদর দপ্তরের স্থান নির্বাচন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) সকালে ফটিকছড়ি উত্তর ও সুয়াবিল ইউনিয়নের জনসাধারণের পক্ষে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কাছে এ স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় সুয়াবিল ইউনিয়নটি দক্ষিণ ফটিকছড়ি ও নাজিরহাট পৌরসভার নিকটবর্তী। কিন্তু নবগঠিত উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলার সঙ্গে এর দূরত্ব ১৫ কিলোমিটারেরও বেশি। ফলে প্রশাসনিক ও যাতায়াতজনিত নানা ভোগান্তিতে পড়বেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ কারণে জনস্বার্থে সুয়াবিল ইউনিয়নকে পূর্বের মতো মূল ফটিকছড়ি উপজেলার অধীনেই রাখার দাবি জানানো হয়েছে।

এছাড়া, ২০২৩ সালের সরকারি গণশুনানির চূড়ান্ত প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে স্মারকলিপিতে বলা হয়, উত্তর ফটিকছড়ির অধিকাংশ মানুষের সুবিধার কথা বিবেচনায় দাঁতমারা ও নারায়ণহাট ইউনিয়নের মধ্যবর্তী জুজখোলা মৌজায় নতুন উপজেলার সদর দপ্তর স্থাপন করা উচিত।

অন্যথায় করেরহাট, বাগানবাজার, দাঁতমারা ও নারায়ণহাটের মতো প্রান্তিক ও পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দারা প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।

এলাকাবাসীর পক্ষে যৌথ বিবৃতিতে মো. রাসেল, মো. শাহেদুল আলম চৌধুরী, মীর আলী আকবর ও মো. আমান উল্লাহ সুয়াবিলবাসীর ক্ষোভ নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জুজখোলা মৌজাতেই নতুন উপজেলার সদর দপ্তর স্থাপনে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি ও সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ