চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ও সিসিটিসহ অন্যান্য স্থাপনা দেশি-বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা না দেওয়ার দাবিতে সমাবেশ মিছিল করেছে বন্দর রক্ষা কমিটি। বুধবার সন্ধ্যায় চেরাগী পাহাড় মোড়ে সমাবেশ শেষে মিছিল করেন আন্দোলনকারীরা।
তার সমাবেশে বন্দর রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, ‘আমরা একটি একটি করে কর্মসূচি দিচ্ছি। আশা করি চূড়ান্ত পর্যায়ে যাবার আগে সরকার ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিবে। আমরা সরকারের বিপক্ষে নই। সরকারকে জনগণের পক্ষে আনতেই এই আন্দোলন।’
ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র (টিইউসি) চট্টগ্রাম জেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামাল খান বলেন, ‘এই আন্দোলন দেশের বন্দর দেশে রাখার আন্দোলন। স্টিল মিল থেকে শুরু করে অনেক সরকারি প্রতিষ্ঠান অতীতে বেসরকারি খাতে দিয়ে দিয়েছে। আজ লাভজনক চট্টগ্রাম বন্দরকে অলাভজনক দেখিয়ে বিদেশিদের দিয়ে দিতে চায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের দালালরা। দেশের বন্দর দেশের রাখতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে দেশের অর্থনীতি ও নিরাপত্তার স্বার্থ জড়িত। এটা আমরা বিদেশিদের দিতে পারি না।’
বন্দর রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব ফজলুল কবির মিন্টু বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি সিসিটিসহ কোনো স্থাপনা দেশি-বিদেশি কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়া চলবে না।’
জাতীয়তাবাদী ডক শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিম বলেন,‘এই সরকার গণতান্ত্রিকভাবে আমাদের ভোটে নির্বাচিত সরকার। আমাদের সরকার আমাদের কথা না শুনলে, অতীতের মত আন্দোলন করে মানাতে বাধ্য করব।’
জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহারও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন। বন্দর রক্ষা কমিটি একই দাবিতে এর আগেও মানববন্ধন, প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি ও সমাবেশসহ ভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে।














