৪ নভেম্বর ২০২৬

৫০ জন পেলেন প্রশিক্ষণ সনদ

সীতাকুণ্ডে গ্রামীণ অর্থনীতিতে অবদানের জন্য ৩০ নারী উদ্যোক্তাকে সম্মাননা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ৩০ জন নারী উদ্যোক্তাকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কারুঘর ট্রেনিং সেন্টার থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আরও ৫০ জন নারী উদ্যোক্তার হাতে সনদ তুলে দেওয়া হয়।

শনিবার (২৫ জুলাই) সীতাকুণ্ডের সিকিউর সিটি শপিং কমপ্লেক্সের তৃতীয় তলায় কারুঘর ট্রেনিং সেন্টারের নতুন প্রশিক্ষণকেন্দ্র উদ্বোধন উপলক্ষে ট্রাই ওমেন অ্যান্ড ইউথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন ও কারুঘর ট্রেনিং সেন্টারের যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সীতাকুণ্ডের উন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ উন্নয়ন সংস্থা ইপসার নির্বাহী প্রধান ড. আরিফুর রহমান, বি অ্যান্ড এফ কেয়ার ফাউন্ডেশন, সীতাকুণ্ডের সাবেক যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহ আলম এবং সাবেক কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহকে সম্মাননা জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ট্রাই ওমেন অ্যান্ড ইউথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও কারুঘর ট্রেনিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা আইরিন নেছা মুনমুন। তিনি ২০২৪ সালে সীতাকুণ্ড উপজেলা ও চট্টগ্রাম জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতা হিসেবে নির্বাচিত হয়ে জয়িতা পদক অর্জন করেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও সীতাকুণ্ডের সাবেক যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহ আলম, সাবেক কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, সীতাকুণ্ড সমাজকল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি লায়ন গিয়াস উদ্দিন, ইপসার ট্রেনিং অফিসার শামিম আহমেদ, সিনিয়র সাংবাদিক মিজানুর রহমান ইউসুফ, সীতাকুণ্ড সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ দিদারুল আলম, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সাধারণ সম্পাদক মো. মোবারক আলী এবং বি অ্যান্ড এফ কেয়ার ফাউন্ডেশনের সমন্বয়ক লায়ন আশরাফুল আলম ভূঁইয়াসহ বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

বক্তারা বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। নারীরা দক্ষ উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে পারলে জাতীয় ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে আরও বড় অবদান রাখতে সক্ষম হবেন। এ জন্য দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই।

তারা আরও বলেন, হস্তশিল্পসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে কারুঘর ট্রেনিং সেন্টার সীতাকুণ্ডের নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং স্বাবলম্বী করে তুলতে কাজ করছে। ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি পাঁচ শতাধিক নারীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করেছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারীদের আত্মকর্মসংস্থানে এগিয়ে আসার পাশাপাশি নিজেদের দক্ষতা আরও বাড়িয়ে তোলার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন