প্রতারণাসহ বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের করা একাধিক মামলায় ইনোভেটিভ ফার্মার স্বত্বাধিকারী কাজী মোহাম্মদ শহিদুল হাসানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন চট্টগ্রামের একটি আদালত। সম্প্রতি চট্টগ্রাম যুগ্ম মহানগর দায়রা ১ম আদালতের বিচারক এ আদেশ দেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
মামলার অভিযোগ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ইনোভেটিভ ফার্মার স্বত্বাধিকারী কাজী মোহাম্মদ শহিদুল হাসান চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার কাটিরহাট ধলাই এলাকার কাজী মোহাম্মদ হাশেমের ছেলে। তিনি ‘ইনোভেটিভ ফার্মা’ নামে একটি ওষুধ বাজারজাতকরণ প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘ প্রায় ৯ বছর এলবিয়ন গ্রুপের সঙ্গে ব্যবসায়িকভাবে যুক্ত ছিলেন শহিদুল হাসান। এ সময় তিনি এলবিয়ন ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড থেকে নগদ অর্থের পাশাপাশি বাকিতে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ক্রয় করতেন। ব্যবসায়িক লেনদেনের ধারাবাহিকতায় একপর্যায়ে ওষুধ ক্রয়ের বিপরীতে প্রতিষ্ঠানটির কাছে বড় অঙ্কের টাকা পাওনা হয়।
ওই পাওনা পরিশোধের জন্য কাজী মোহাম্মদ শহিদুল হাসান এলবিয়ন ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের অনুকূলে মোট ৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকার পাঁচটি চেক দেন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে চেকগুলো নগদায়ন না হওয়ায় এবং পাওনা অর্থ পরিশোধ না করায় বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়।
এ ঘটনায় এলবিয়ন ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের ম্যানেজার মো. রফিক আহমদ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কাজী মোহাম্মদ শহিদুল হাসানের বিরুদ্ধে পৃথক পাঁচটি মামলা করেন। মামলাগুলোর পরবর্তী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সম্প্রতি আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
এদিকে কাজী মোহাম্মদ শহিদুল হাসানের বিরুদ্ধে ব্যবসায়িক বিরোধের পাশাপাশি বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়ে জানতে চাইলে এলবিয়ন ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের সিনিয়র ম্যানেজার মো. রফিক আহমদ বলেন, ‘আমাদের কোম্পানির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র, মিথ্যাচার, প্রতারণা ও অপপ্রচার করায় আমরা আদালতে মামলা দায়ের করেছি। ওইসব মামলা আমলে নিয়ে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।’













