চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতিতে অবস্থিত রাখাল ছেলে এগ্রো ট্যুরিজমে পর্যাপ্ত পার্কিংয়ের ব্যবস্থা না থাকায় লামা-ডিসি সড়কের ওপর রাখা হচ্ছে দর্শনার্থীদের গাড়ি ও মোটরসাইকেল। এতে সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা।
সরেজমিনে ধারণ করা ছবিতে দেখা যায়, পর্যটনকেন্দ্রটির সামনে লামা-ডিসি সড়কের ওপর সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন। এতে সড়কের চলাচলের জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বাড়লে যানবাহনের চাপও বেড়ে যায়, সৃষ্টি হয় চলাচলে বিঘ্ন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিনোদনকেন্দ্রটিতে দর্শনার্থীদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা থাকলেও যানবাহন রাখার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। ফলে জনসাধারণের চলাচলের সড়কই পার্কিংয়ের জায়গা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন যাতায়াতের পাশাপাশি অন্য যানবাহনের চালক ও পথচারীদেরও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “পার্কিংয়ের ব্যবস্থা না থাকায় লামা-ডিসি সড়কের ওপর গাড়ি ও মোটরসাইকেল রাখা হচ্ছে। এতে আমাদের প্রতিদিনের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়লে সড়কে যানবাহনের চাপও বেড়ে যায়। একটি পর্যটনকেন্দ্রের কারণে সাধারণ মানুষ কেন ভোগান্তিতে পড়বে? আমরা চাই, কর্তৃপক্ষ দ্রুত পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করুক এবং সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিক।”
স্থানীয়দের মতে, পর্যটনকেন্দ্রের দর্শনার্থীদের সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করাও জরুরি। এ জন্য পর্যাপ্ত নিজস্ব পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা এবং সড়কের ওপর যত্রতত্র যানবাহন রাখা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বায়েজীদ-বিন-আখন্দ বলেন, “বিষয়টি আমি মাত্রই জানতে পেরেছি। এভাবে মানুষের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে কোনো প্রতিষ্ঠান পরিচালনার সুযোগ নেই। জনসাধারণের চলাচলে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়ে থাকলে আগামীকালই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এখন প্রশাসনের উদ্যোগে সড়কে যানবাহন পার্কিং বন্ধ হয় কি না এবং রাখাল ছেলে এগ্রো ট্যুরিজম কর্তৃপক্ষ নিজস্ব পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করে কি না, সেটিই দেখার বিষয়।














