বাংলাধারা প্রতিবেদন »
চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের আওতাধীন থানা ও ওয়ার্ড সমূহের উদ্যোগে আগ্রাবাদ সিডিএ ১নং সড়কে গত ২৩ আগস্ট বিকাল ৪টায় জাতীয় শোক দিবস ও ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় নিহত সকল শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা যুবলীগ নেতা কাজী অরিফের সভাপতিত্বে ও যুবলীগ নেতা মো: আরমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ২৭নং দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো: আজিজ মোল্লা। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কার্য্যনির্বাহী কমিটির সদস্য দেবাশীষ পাল দেবু।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন- ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্ট একই নীলনক্সার অংশ। প্রকাশ্যে দিবালোকে এমন হামলা পৃথিবীতে নজিরবিহীন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় বিএনপি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ক্ষমতায় থেকে এই ধরনের একটি ঘটনা বিএনপি জামায়াত জোট সরকারই ঘটিয়েছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তারা শুধু রক্ত নিতেই জানে। দেশবাসীকে তাদের ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে বক্তারা উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।
প্রধান বক্তা দেবাশীষ পাল দেবু বলেন, ১৫ আগস্টের মতো ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায়ও জিয়া পরিবার জড়িত। ওই হামলার পর তৎকালীয় প্রধানমন্ত্রী বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া সংসদে দাঁড়িয়ে উপহাস করেছিলেন। সেই সময় সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন হাসিনা নাকি গ্রেনেড ভেনিটি ব্যাগে করে নিয়ে গিয়েছিল।
তিনি বলেন, ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যা করা হয়। ২১ আগস্টের মত ১৫ আগস্টেরও হত্যাকান্ডে বিএনপি জড়িত এতে কোন সন্দেহ নেই। বাংলার ইতিহাসে নয়, পৃথিবীর ইতিহাসে এমন জঘন্য ও নৃশংসতম ঘটনা ঘটেনি। মাত্র কয়েক সেকেন্ড পর পর ১৩টি গ্রেনেড হামলা করা হয়। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মানবপ্রাচীর করে আমাদের নেত্রীকে বাঁচিয়েছিলেন। একমাত্র নেত্রীকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়। তারপর যখন নেত্রী গাড়িতে করে চলে যাচ্ছিলেন তখনও গাড়ি লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলা ও গুলি করা হয়।
এ সময় ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্ট নিহত সকল শহীদদের স্মরণে আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো: রহিম, বন্দর কর্মচারী সমিতির (সিবিএ)’র ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নায়েবুল ইসলাম ফটিক, মহানগর যুবলীগ নেতা আনিফুর রহমান লিটু, মো: আকতার, প্রফেসর নূর নবী পারভেজ, মো: নজরুল ইসলাম ভূইয়া, হাবিব মিয়া, মো: সালাউদ্দিন, সাদ্দাম হোসেন জয়, সাজিবুল ইসলাম সজিব, নূর এলাহী সানি, যুবায়ের হোসেন অভি, আবু নাছের জুয়েল, বিভু নাথ, মাহবুব, লাভলু, জুয়েল, টিপু, দেলোয়ার, মনির, সাদ্দাম, নিহাল, নবী, মিজান, হিমেল, সাকিব, অনিক, সজিব, বিপু, মো: সোহেল প্রমুখ।
বাংলাধারা/এফএস/এমআর/টিএম












