কক্সবাজার প্রতিনিধি »
কক্সবাজারের টেকনাফে দু’জনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ ও রামুতে মহাসড়কের কিনার থেকে অজ্ঞাত যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার ভোররাত ও সকালে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। টেকনাফে নিহতরা মাদক কারবারি এবং তারা পুলিশের সাথেই গোলাগুলিতে মারা যায় বলে প্রকাশ পেয়েছে। কিন্তু গলাকাটা যুবকের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।
টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানিয়েছেন, টেকনাফে পুলিশের সাথে গোলাগুলিতে দুই মাদক কারবারী নিহত হয়েছে। এসময় গোলাগুলিতে এসআই মশিউর রহমান, কনষ্টেবল অভিজিৎ দাশ ও এমরান হোসেন নামে তিন পুলিশ আহত হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ভোর রাতে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের পশ্চিম মহেশখালীয়া পাড়ার কম্বনিয়া এলাকায় এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গুলি ও ইয়াবা জব্দ হয়।
নিহতরা হল- টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভী বাজার এলাকার মৃত সুলতান আহাম্মদের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (২০), হোয়াইক্যং পশ্চিম মহেশখালীয়া পাড়া এলাকার আলী আহাম্মদের ছেলে আব্দুল জলিল (৩০)।
ওসি প্রদীপ কুমার দাশের মতে, মঙ্গলবার ভোর রাতে খবর আসে হোয়াইক্যংয়ের পশ্চিম মহেশখালীয়া পাড়া ৯নং ওয়ার্ড কম্বনিয়া এলাকায় মাদক হাতবদল হচ্ছে। এ খবরে পুলিশ মাদক বিরোধী অভিযানে গেলে সেখানে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াবা কারবারি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা গুলি ছুঁড়ে। তাদের ছোঁড়া গুলিতে পুলিশের তিন সদস্য আহত হলে আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।
তিনি আরো বলেন, উভয় পক্ষের গোলাগুলি থেমে যাবার পর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুই যুবককে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে টেকনাফ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রনয় রুদ্র উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখানে পৌঁছার পর দায়িত্বরত চিকিৎমক গুলিবিদ্ধ দু’জনকে মৃত ঘোষণা করে। ঘটনা স্থল থেকে অস্ত্র, ইয়াবা ও গুলি জব্দ হয়েছে।
অপরদিকে, কক্সবাজার-চট্টগ্রম মহাসড়কের রামুর ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের রামু সরকারি কলেজ গেটের পশ্চিমে মজাহারুল উলুম মাদ্রাসা গেইটে রাস্তার পাশে অজ্ঞাত যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলার (৭ জুলাই) ভোরে মরদেহটি স্থানীয়রা দেখে পুলিশকে খবর দেয়। রামু থানার পুলিশ পরিদর্শক গনেশ চন্দ্র শীল মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের মর্গে পাঠান। ঘটনাস্থল থেকে একটি এনড্রয়েট মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রামু থানার ওসি আবুল খায়ের। কিভাবে যুবকটি মরদেহ এখানে এলো বা খুন হলো তা বের করার চেষ্টায় অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন ওসি।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম/এএ













