জসিম উদ্দিন চৌধুরী, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি »
পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার আমতলী ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম চলছে বাজারের একটি ভাড়া দোকানে ফলে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম মারাত্নকভাবে ব্যহত হচ্ছে। অন্যদিকে এর প্রভাব পরোক্ষভাবে নাগরিকদের ভোগ করতে হচ্ছে।
আমতলী ইউনিয়নের বাসিন্দা মো:ই উচুপ মিয়া সাথে কথা বলে জানা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের ভবন না থাকায় পরিচয়পত্র, জন্ম-মৃত্যুসনদ, তথ্যকেন্দ্রের সেবা এবং গ্রাম্য আদালতের বিচার পেতে প্রতিনিয়ত বিড়ম্বনায় পড়তে হয় তাঁদের। ইউনিয়ন কমপ্লেক্স ভবন না থাকায় টিআর, জিআর, ভিজিএফ ভিজিডিসহ সরকারি বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী ভাড়া গুদামে রাখতে হয়।
আমতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: আব্দুল গনি বলেন, ‘আমতলী ইউনিয়ন পরিষদ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে কোন ভবন নির্মাণ করা হয়নি। ২০১৪ সালে আমতলী ইউনিয়ন পরিষদের জন্য ২৫ শতকের একটি জায়গা ক্রয়করা হয়। ২০১৫ সালে আমতলী ইউনিয়ন পরিষদের নামে জায়গাটি রেকর্ডভুক্ত হয়েছে। আমতলী ইউনিয়ন পরিষদের ভবনের জন্য স্হানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ সার্ভে করে গিয়েছিল ইউনিয়ন পরিষদের ভবনের জন্য। কিন্তু এখন পর্যন্ত কেনো ভবনের কার্যক্রম বাস্তবায়ন হয়নি। বর্তমানে আমি রামশিরা বাজারে দুই কক্ষ বিশিষ্ট একটি দোকান ঘর ভাড়া নিয়ে পরিষদের দাপ্তরিক কার্যক্রম চালাচ্ছি।’
কত টাকা ভাড়া দেন এবং কোথায় থেকে দেন, যানতে চাইলে চেয়ারম্যান মো: আব্দুল গনি জানান, বছরে ৩৬ হাজার টাকা ভাড়া, টেক্সের টাকা পরিষদের সদস্যদের সম্মানী থেকে পরিশোধ করেন।
তিনি আরো বলেন, স্হানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো: ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত ১৬.০৯.২০১৩ইং তারিখে মন্ত্রণালয়ের ৬৮৫নং স্মারকে জারিকৃত পরিপত্রে খাগড়াছড়ি জেলার আমতলী ইউনিয়ন পরিষদের কমপ্লেক্স ভবন তফসিলভূক্ত জমিতে নির্মাণের প্রশাসনিক অনুমোদন নির্দেশক্রমে প্রদান করা হলেও এখন পর্যন্ত ভবন নির্মাণ হয়নি বলে জানান তিনি।
বাংলাধারা/এফএস/এআই












