১ নভেম্বর ২০২৬

ইনানী সৈকতে নিখোঁজের একদিন পর মিলল পর্যটকের মরদেহ

কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতে গোসলে নেমে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর পর্যটক যুবক মোহাম্মদ সায়েমের (২২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (২৮ জুন) সকালে সৈকত থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরে রামুর রেজুখাল ব্রিজসংলগ্ন এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।

নিহত সায়েম চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুয়াইশ গ্রামের চৌধুরীবাড়ির বাসিন্দা মুহাম্মদ ইকবালের ছেলে। তিনি হাটহাজারীর বুড়িশ্চর জিয়াউল উলুম কামিল মাদ্রাসার ফাজিল (ডিগ্রি) শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তিন বোনের একমাত্র ভাই ছিলেন সায়েম।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শুক্রবার বন্ধুদের সঙ্গে কক্সবাজার বেড়াতে যান সায়েম। শনিবার দুপুরে ইনানী সমুদ্রসৈকতের নৌবাহিনীর জেটির দক্ষিণ পাশে গোসল করতে নেমে একপর্যায়ে সাগরের পানিতে তলিয়ে যান তিনি। এরপর থেকেই বীচ কর্মী, সি-সেইফ লাইফগার্ড, কোস্ট গার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

রোববার সকাল ১০টার দিকে রামুর রেজুখাল ব্রিজের নিচে পানিতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া মরদেহটি নিখোঁজ সায়েমের বলে শনাক্ত করেন পরিবারের সদস্যরা।

নিহতের বাবা মুহাম্মদ ইকবাল জানান, ছেলের মরদেহ গ্রহণের জন্য তারা কক্সবাজারে অবস্থান করছেন। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

হাটহাজারীর শিকারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য লোকমান হাকিম বলেন, সায়েমের অকাল মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মরদেহ গ্রামে নিয়ে এসে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে ফায়ার সার্ভিস রেজুখাল ব্রিজসংলগ্ন এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেছে। পরিবারের আবেদনের পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন