বাংলাধারা প্রতিবেদন »
আওয়ামী লীগের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্মেলনে মহিউদ্দীনপত্নী হাসিনা মহিউদ্দীনের সাথে অশোভন আচরণের অভিযোগ তুলে মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীনকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীরা।
আজ বিকেল ৩ টায় নগরীর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেয়া হয়। চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রণি ও সাবেক ছাত্রনেতা, কারা পরিদর্শক আজিজুর রহমানের আজিজের সঞ্চালনায় উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা উক্ত ঘটনাটিকে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত কর্মকান্ড বলে আখ্যা দেন। তারা মনে করেন এ জায়গায় মেয়র নাছির তার ব্যক্তিগত ক্ষোভ চরিতার্থ না করলেই পারতেন। সন্মান দিলে ভবিষ্যতে তিনিও সন্মান পেতেন বলে মনে করেন নেতাকর্মীরা।
চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ সালাউদ্দীন বলেন- চট্টগ্রামের আওয়ামী রাজনীতি পরিবারের জন্য মহিউদ্দীন চৌধুরীর পরিবার আবেগের স্থান। গতকালের ঘটনায় আমরা ব্যথিত। অামরা তদন্ত সাপেক্ষে এটির সুরাহা চাই।
কোতোয়ালী থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান মনসুর মনে করেন এটা রাজনৈতিক ধৃষ্টতা ছাড়া আর কিছুই নয়। হাসিনা মহিউদ্দীনের কোনো পদ পদবী না থাকলেও শুধুমাত্র মহিউদ্দীন চৌধুরীর স্ত্রী হিসেবে তিনি মঞ্চে জায়গা পান।সঞ্চালনার বক্তব্যে কারা আজিজুর রহমান আজিজ বলেন- বিষয়টি অন্যভাবে করা যেত। সবার সামনে এভাবে নেমে যেতে বলাটা অবশ্যই অন্যায় এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমরা জানতে চাই কোন উদ্দেশ্যে মেয়র এই কাজটি করলেন।
সভাপতির বক্তব্যে নুরুল আজিম রনি বলেন- গতকালের ঘটনায় মেয়র নাছিরকে দেখলাম গণমাধ্যমে বলতে শৃঙ্খলার স্বার্থে তিনি মঞ্চ থেকে হাসিনা মহিউদ্দীনকে নামিয়ে দিয়েছেন। আমি বলতে চাই, উনি কোন ধরনের শৃঙ্খলার কথা বলেন সেটা তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের দিকে তাকালে সেটি স্পষ্ট। বিভিন্ন সময়ে তিনি শৃঙ্খলার ভঙ্গের দায়ে দল থেকে বহিঃস্কার হয়েছেন। আমরা এই প্রেসক্লাব চত্ত্বর থেকে মেয়রকে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিলাম। এর মধ্যে যদি তিনি এ ঘটনায় ক্ষমা না চান তাহলে পরবর্তীতে আমরা আরো কঠোর কর্মসূচীতে যাব।
এছাড়াও, উক্ত অনুষ্ঠানে এমইএস কলেজের ভিপি ওয়াসিম উদ্দিন, শ্রমিক লীগ নেতা আবু, আবুল হাসনাত বেলাল,সাবেক ছাত্রনেতা আবু সাঈদ সুমন, ফরহাদুল ইসলাম রিন্টু, আব্দুর রহিম শামীম, সাবেক কমিশনার মমতাজসহ মহানগর আওয়ামী লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড, থানা ও বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।উলেখ্য, গতকাল(রোববার) আওয়ামী লীগের চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক সম্মেলনের মঞ্চ থেকে হাসিনা মহিউদ্দীনকে নামিয়ে দেন মেয়র নাছির।
এ ঘটনায় গতকাল থেকে ক্ষোভে ফেটে পড়ে প্রয়াত মহিউদ্দীন চৌধুরীর অনুসারীরা। হাসিনা মহিউদ্দীন মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের মা।
সূত্রঃ বাংলাদেশ মেইল
বাংলাধারা/এফএস/টিএম













