চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে পৃথক দুটি চেকপোস্টে অভিযান চালিয়ে ৯ হাজার ৭৬০ পিস ইয়াবাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের একজনের বিরুদ্ধে হত্যা, চুরি, ডাকাতি ও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে দেশের বিভিন্ন থানায় ২২টি মামলা রয়েছে। অন্যজন দূরপাল্লার বাসের সুপারভাইজার। তাঁর ব্যাগ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৯ হাজার ৪৪০ পিস ইয়াবা।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার মইজ্জ্যারটেক ও কর্ণফুলী টানেল এলাকার চেকপোস্টে পৃথক অভিযানে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। কর্ণফুলী থানার সেকেন্ড অফিসার তীথংকর দাশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের গোলাম আলী মুন্সির বাড়ির আবুল কাশেমের ছেলে মো. আশরাফুল আরেফিন সাজ্জাদ (২৫) এবং শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ থানার কোরালতলী গ্রামের বেপারী বাড়ির মৃত সেকীম আলী বেপারীর ছেলে মো. আব্বাস বেপারী (৪৯)।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে মইজ্জ্যারটেক চেকপোস্টে আইকনিক এক্সপ্রেসের একটি বাস থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। এ সময় বাসের যাত্রী আব্বাস বেপারীর আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে তিনি শরীরের পায়ুপথে ইয়াবা লুকিয়ে রাখার কথা স্বীকার করেন। পরে তাঁর কাছ থেকে ৩২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আব্বাস কক্সবাজার থেকে ইয়াবাগুলো সংগ্রহ করে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় হত্যা, চুরি, ডাকাতি ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২২টি মামলা রয়েছে।
অন্যদিকে, রাত ৩টার দিকে কর্ণফুলী টানেল এলাকার চেকপোস্টে আরেকটি আইকনিক এক্সপ্রেস বাসে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বাসটির সুপারভাইজার আশরাফুল আরেফিন সাজ্জাদের ব্যাগ থেকে ৯ হাজার ৪৪০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাজ্জাদ কক্সবাজার থেকে ইয়াবাগুলো সংগ্রহ করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নূর আহমেদ জানান, গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।














