বাংলাধারা ডেস্ক »
গাজীপুরে টঙ্গীর তুরাগ তীরে শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) শুরু হচ্ছে তাবলিগ জামাতের সবচেয়ে বড় জমায়েত বিশ্ব ইজতেমা।লাখো মুসল্লির সমাগম হবে ইজতেমা ময়দানে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলা থেকে সেখানে জমায়েত হতে শুরু করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।
প্রথম পর্বে ইজতেমা ময়দানকে ৮৭টি খিত্তায় ভাগ করা হয়েছে। নিজ নিজ জেলার খিত্তায় অবস্থান নিয়েছেন দেশিয় মুসল্লিরা। আর ভারত, পাকিস্তান, মধ্যপ্রাচ্যসহ নানা দেশের মুসল্লিরা আসছেন বিদেশী নিবাসে।
এবারের ৫৫তম বার্ষিক বিশ্ব ইজতেমায় আলমে সুরার তত্ত্বাবধানে তাবলিগ জামাতের প্রথম পর্বে অংশ নেবেন মওলানা জোবায়েরের অনুসারীরা। ১২ জানুয়ারি রোববার দুপুরে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ইজতেমা। ১৩ জানুয়ারি সকালের মধ্যে ময়দান ত্যাগ করবেন মুসল্লিরা।
এদিকে,ইজতেমা ঘিরে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। প্রতি বছরের মতো বাড়তি পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও সাদা পোশাকের গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন মাঠের ভেতর ও বাইরে বিভক্ত হয়ে কাজ করবেন।ইজতেমা ময়দানে পাঁচস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের কমিশনার আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, ট্রাফিকের উপর পছন্ড চাপ পড়েছে। সেটি মোকাবেলা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এছাড়াও ইজতেমাকে সফল করতে স্বেচ্ছাসেবক ছাড়াও গাজীপুর সিটি করপোরেশন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, স্বাস্থ্য বিভাগসহ সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।শীত বিবেচনায় মুসল্লিদের চিকিৎসায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে চালু করা হয়েছে স্বাস্থ্য ক্যাম্প।
৫ দিন বিরতি দিয়ে ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে ১৭ জানুয়ারি। এতে অংশ নেবেন মওলানা সাদ বিরোধীরা। দ্বিতীয় পর্বেও বিভিন্ন দেশের তাবলিগ প্রতিনিধিসহ দেশের ৬৪ জেলা থেকে মুসল্লিরা যোগ দেবেন।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম













