১৭ এপ্রিল ২০২৬

চমেক পরিদর্শন শেষে ডা. সামান্ত : এভাবে বার্ন রোগীর চিকিৎসা হয় না

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটের প্রধান ও বিশেষজ্ঞ ডা. সামান্ত লাল সেন, ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পুড়ে গেলে বলা হয় মেজর বার্ন। বার্ন রোগীর চিকিৎসা খুবই জটিল। এটা আইসোলেশনের মাধ্যমে করতে হয়। আমরা যেভাবে এখানে বার্ন রোগীর চিকিৎসা করছি, এভাবে বার্ন রোগীর চিকিৎসা হয় না।

সোমবার (৬ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘ভর্তি হওয়া অনেককে ছেড়ে দেওয়া যাবে। অনেকের চোখে সমস্যা আছে। এখানে চক্ষুবিশেষজ্ঞ আছেন। তাদের দিয়ে ফলোআপ চিকিৎসা দেওয়া গেলে আস্তে আস্তে ভালো হয়ে যাবে। একজনের ছোট বার্ন বড় হয়ে যেতে পারে ইনফেকশনের কারণে। আমি আশা করবো আপনারা বিষয়টি খেয়াল রাখবেন। এখানে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার অভাবের পরও এখানে চিকিৎসকরা ভালো চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন। ঢাকায় ভর্তি হওয়া রোগীদের অবস্থা ভালো না। সব কিছু বিবেচনায় এনে আমাদের পরিকল্পনা করতে হচ্ছে। এছাড়া রোগীদের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে অহেতুক হাসপাতালে ভিড় না করার সবাইকে অনুরোধ করছি। অযথা ভিড়ের কারণে বার্ন রোগীদের অবস্থা আরও খারাপ হয়।

চট্টগ্রামে আসার মুখ্য কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা এখানের রোগীদের দেখেছি। তাদের কি করা যায়, কিভাবে চিকিৎসা দেওয়া যায়, আমাদের কর্মপন্থা কী হবে তা নিয়ে পরিকল্পনা করেছি। কথা বলেছি। যাদের অবস্থা ভালো না, তাদের সাথে কথা বলবো। তাদের সাথে যদি আরও একজন যাওয়ার প্রয়োজন হয়, তাহলে তাদের ঢাকায় নিয়ে যাবো।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি রাত দেড়টায় আমি খবর পাই। গতকাল (রোববার) প্রধানমন্ত্রী আমাকে বললেন, তুমি দেখ কি করা যায়। যাদের ঢাকায় আনতে হবে, নিয়ে আসো। বাকিদের চট্টগ্রামে চিকিৎসা দাও। তুমি নিজে সেখানে যাও। এই মুহূর্তে চমেক হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের পরিবার চাইলে আমরা ঢাকায় নিয়ে সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা করবো। আমরা ঢাকায় গিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে এ বিষয়টি জানাব। এসব রোগীদের কীভাবে সুস্থ করা যায়, ভবিষ্যতে পরিকল্পনা ঠিক করবো। আমরা নিজেরাও কিছু নির্দেশনা ঠিক করেছি।

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ