বাংলাধারা ডেস্ক »
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শনিবার সকালে রাজধানী নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ঐতিহাসিক হায়দ্রাবাদ হাউজে স্থানীয় সময় সাড়ে সকাল ১১টায় এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শুরু হয়। এর আগে দুই নেতা কিছুক্ষণ একান্তে কথা বলেন।
বৈঠক শেষে দু’দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে ৬টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়। বৈঠকের পর দুই প্রধানমন্ত্রী যৌথভাবে বাংলাদেশের তিনটি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেন।
দুই নেতার এই বৈঠকে আঞ্চলিক এবং দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় যেমন- রোহিঙ্গা ইস্যু, দুই দেশের মধ্যকার অভিন্ন নদীগুলোসহ তিস্তার পানি বন্টন, নিরাপত্তা, ব্যবসা-বাণিজ্যের ভারসাম্য এবং লাইন অব ক্রেডিট (এলওসি) প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চারদিনের সরকারি সফরে মঙ্গলবার নয়া দিল্লি এসেছেন। টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের পর এটাই তার প্রথম দিল্লি সফর। তিনি ২০১৭ সালের এপ্রিলে সর্বশেষ নয়া দিল্লি সফর করেন।
হাসিনা ও মোদির বৈঠকে দু’দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক উন্নয়নে জোর দেন দু’দেশের সরকার প্রধান। এ সময় রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে নরেন্দ্র মোদিকে অনুরোধ করেন শেখ হাসিনা।
এ সময় অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে দুদেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে একসাথে কাজ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। পাশাপাশি আলোচনার মাধ্যমে দুদেশের মধ্যে অমিমাংশিত বিষয়গুলো সমাধানের বিষয়েও সিদ্ধান্ত আসে। এ সময় দুদেশের মধ্যে যুব ও ক্রীড়া, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, বাণিজ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে ৬টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়।
পরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভারতের অর্থায়নে বাংলাদেশে ৩টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি।
বাংলাধারা/এফএস/এমআর/এএ













