৮ নভেম্বর ২০২৬

মিয়ানমার থেকে আসা অধিকাংশ পেঁয়াজই পঁচা

তারেক মাহমুদ »

ভোগ্যপণ্যের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ। ভারত পেঁয়াজ রফতানি করা বন্ধ করে দেয়ায় অন্য পেঁয়াজের বাজার ধরতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। সে জন্য ব্যবসায়ীরা বাড়তি পেঁয়াজের জোগান দিতে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করছেন। তবে আনার পথে জটিলতায় পঁচে যাচ্ছে অধিকাংশ পেঁয়াজ। ফলে ক্ষতির মখোমুখী হচ্ছে ব্যবসায়ীরা। তাছাড়া মিয়ানমার থেকে যা পেঁয়াজ আসছে তাও চাহিদার তুলনায় কম। ফলে বাজারে লাগামহীনভাবে বেড়েই চলেছে পেঁয়াজের দাম।

এ অবস্থায় ব্যবসায়ীরা বলছেন, সংকট সমাধানে নতুন বাজার খোঁজার পাশাপাশি সরকার হস্তক্ষেপ না করলে সংকট আরো তীব্র হবে।

চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে ১০০ এর বেশি পেঁয়াজের আড়ৎ রয়েছে। এখানে স্বাভাবিক সময়ে দিনে পেঁয়াজের চাহিদা সাড়ে ৩০০ টন। ভারত রফতানি বন্ধ করায় বিকল্প দেশ মিয়ানমার থেকে আসা পেঁয়াজের বাজার এখন খাতুনগঞ্জের দখলে। তাই সারা দেশের ব্যবসায়ীরা এ বাজারমুখী হওয়ায় চাহিদা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০০ থেকে ৫০০ টনে। কিন্তু খাতুনগঞ্জে প্রতিদিন মিয়ানমারের পেঁয়াজ আসে মাত্র ১০০ থেকে ১৫০ টন।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের অধিকাংশই পঁচা। এতে ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা। পেঁয়াজ পচার জন্য অতিরিক্ত বোঝাই ও টেকনাফ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষকে দায়ী করলেন খাতুনগঞ্জ আহাদ এন্টারপ্রাইজের আমদানিকারক মো. আবদুল আহাদ।

চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ আড়তদার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মিয়ানমার পচা পেঁয়াজ রপ্তানি করেনি। সমস্যা হয়েছে, যথাযথভাবে তারা না পাঠানোর কারণে আসার পথে বস্তাতে অনেক পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যায়। তাই এসব পেঁয়াজ এখন নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এমনও দেখা যায়, ৪০ কেজির বস্তার মধ্যে অর্ধেকই নষ্ট। তবে এখন যেসব পেঁয়াজ আসছে সেগুলোর মান ভালো।

এ অবস্থায় সংকট সমাধানে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম খাতুনগঞ্জ হামিদুল্লাহ মিয়া মার্কেট ব্যাবসায়ী কল্যাণ সমিতি সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিস এবং চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ পরিচালক সৈয়দ ছগির আহমেদ।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ