বাংলাধারা প্রতিবেদন »
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় এবার পাসের হার ৮২ দশমিক ৯৩ শতাংশ। ২ লাখ ৮ হাজার ৯৬২ শিক্ষার্থীদের মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৪১ জন।
মঙ্গলবার ( ৩১ ডিসেম্বর) বেলা ১২ টায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড চট্টগ্রামের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নারায়ন চন্দ্র নাথ ফল ঘোষণা করেন।
তিনি জানান, এবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ হাজার ২৭৪টি বিদ্যালয়ের ২ লাখ ৮ হাজার ৯৬২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করার কথা ছিল। তার মধ্যে ৯২ হাজার ৫৩২ জন ছাত্র এবং ১ লাখ ১৬ হাজার ৪৩০ জন ছাত্রী। কিন্তু পরীক্ষায় ৯১ হাজার ৭৯জন ছাত্র ও ১ লাখ ১৪ হাজার ৭৯২জন ছাত্রী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ৭০ হাজার ৭৩৪ জন। তার মধ্যে ৭৫ হাজার ৪০২ জন ছাত্র ও ৯৫ হাজার ৩৩২জন ছাত্রী। এবার জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৪১ জন শিক্ষার্থী। তার মধ্যে ২ হাজার ৪১৯ জন ছাত্র এবং ৩ হাজার ৬২২ জন ছাত্রী।
তিনি আরও জানান, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে এবছর পাসের হার ৮২ দশমিক ৯৩ শতাংশ। তার মধ্যে ছাত্রের পাসের হার ৮২ দশমিক ৭৯ শতাংশ এবং ছাত্রীদের পাসের হার ৮৩ দশমিক ৫ শতাংশ। ২০১৮ সালে পাসের হার ছিল ৮১ দশমিক ৫২ শতাংশ। অন্য কাজ বাকি রেখে ভালভাবে খাতার জন্য সকলকে বলা হয়েছিল এবং নিজের সন্তানের খাতা মনে করে খাতা কাটার জন্য সকল শিক্ষককে বলা হয়েছে। তাই এবার পাসের হার বেড়েছে।
পার্বত্য জেলাগুলোতে পাসের হার কম থাকার বিষয়ে তিনি জানান, পিঁছিয়ে পড়া জনগোষ্টি আরও পৃষ্ঠপোষকতা দরকার।ওখানে পড়ালেখার প্রবণতা আরও বাড়ানো হবে। শিক্ষকদেরকে আরও ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করা হবে।আমরা আশা করি ১০০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিলে ১০০ জন পাস করুক।
ফল বিশ্লেষণে জানা যায়, চট্টগ্রাম মহানগরে পাসের হার ৮৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ।নগর বাদে জেলার পাশের হার ৮১ দশমিক ১৬ শতাংশ। কক্সবাজার জেলায় পাশের হার ৮৪ দশমিক ১০ শতাংশ। রাঙ্গামাটি জেলায় পাশের হার ৭৯ দশমিক ৫০ শতাংশ। খাগড়াছড়ি জেলায় পাশের হার ৮০ দশমিক ৮৮ শতাংশ। বান্দরবান জেলায় ৭৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম













