বাংলাধারা প্রতিবেদন »
শুক্রবার রাতে কুষ্টিয়া পৌরসভার পাঁচ রাস্তার মোড়ে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের ডান হাত, পুরো মুখমণ্ডল ও বাম হাতের অংশবিশেষ ভেঙে ফেলে দুর্বৃত্তরা। এমনই পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য, মনুমেন্ট ও স্মৃতিস্তম্ভগুলোর তালিকা তৈরী করে এসব ভাস্কর্যের নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। সদর দপ্তরের নির্দেশনা পেয়ে ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম রেঞ্চ ও সিএমপির সব থানার ওসিরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে মাঠে নেমেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নজরদারি বাড়ানোসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনা চট্টগ্রাম রেঞ্জের এসপিদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
নিরাপত্তাটা কি ধরণের হবে তা জানতে চাইলে ডিআইজি বলেন, মূলত প্রথমে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য, মনুমেন্ট ও স্মৃতিস্তম্ভগুলোর তালিকা করা হবে। তালিকা ধরে সরাসরি পুলিশ মোতায়ন করা না হলেও নজদারি ও টহল বাড়ানো হবে।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম নগরীতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে নগরের হালিশহর বড়পোল মোড়ে নির্মিত হয়েছে ‘বজ্রকণ্ঠ’ ভাস্কর্য।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের অর্থয়ানে ৮৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ে বেইজসহ (বেদি) ২৬ ফুট উঁচু ভাস্কর্যটি স্থাপন করা হয়। মূল ভাস্কর্যের উচ্চতা ২২ ফুট। সাদা সিমেন্টের (আরসিসি) ঢালাইয়ের মাধ্যমে ভাস্কর্যটির স্থায়ী রূপ দেওয়া হয়, যার ওজন প্রায় ৩০ টন।
এর আগে প্রায় ৪ মাস ধরে মাটি (মডেলিং ক্লে) দিয়ে মূল ভাস্কর্যের আদলটি তৈরি করা হয়েছিল। এ বছরের ২৯ জুলাই সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বঙ্গবন্ধুর এ ভাস্কর্যের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
এছাড়া নগরের বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের (অক্সিজেন-কুয়াইশ সংযোগ সড়ক) দুই প্রান্তে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দুটি ম্যুরাল স্থাপন করে সিডিএ। অ্যাভিনিউয়ের কুয়াইশ প্রান্তে স্থাপিত ৪২ ফুট উচ্চতার ম্যুরাল আর অক্সিজেন প্রান্তে স্থাপিত ম্যুরালটির উচ্চতা ২৬ ফুট।
এছাড়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন সহ নগরীর অনেক জায়গায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য, মুর্যাল ও মনুমেন্ট রয়েছে।
বাংলাধারা/এফএস/এআর













